খুবি প্রতিনিধি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২৪ আগামী ২৪ জানুয়ারি (বুধবার) অনুষ্ঠিত হবে। এতে ১৩টি পদের বিপরীতে মোট ২৬ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। তবে নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকেরা অংশ নিচ্ছেন না। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাঠে থাকছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দুটি সংগঠন।
জানা গেছে, বিরাজমান পরিস্থিতি ও বিভিন্ন সময় তাঁদের মতামত গুরুত্ব না দেওয়ার অভিযোগে এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না বিএনপিপন্থী শিক্ষকেরা। খুবির বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ভোটে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায়ও বিএনপিপন্থী কোনো শিক্ষকের নাম দেখা যায়নি। এদিকে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দুই সংগঠন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) ও বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা নির্বাচন বর্জন করেছি। যদিও জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নির্বাচনের সম্পর্ক নেই, তবুও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা নির্বাচন বর্জন করেছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের অবস্থান থেকে কথা বলার মতো পরিবেশ নেই। আমরা চেয়েছিলাম গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে এসে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিতে। অথচ গুচ্ছতে থেকে সবচেয়ে খারাপ শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হচ্ছে। এ ছাড়াও আমাদের কোনো পরামর্শের গুরুত্ব দেওয়া হয় না। সরকার যেভাবে দেশ চালাচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ও তারা সেভাবে চালাক, আমাদের তো দরকার নেই।’
নির্বাচন বর্জনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান বলেন, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় একটি অরাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে কোনো দল বা গোষ্ঠী হিসেবে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। যারা মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে তার আলোকেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফলে কেউ নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিলে সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার।’
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, খুবি শিক্ষক সমিতির ‘কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২৪’ আগামী ২৪ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জীবনানন্দ দাশ একাডেমিক ভবনের মাল্টিপারপাস রুমে অনুষ্ঠিত হবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২৪ আগামী ২৪ জানুয়ারি (বুধবার) অনুষ্ঠিত হবে। এতে ১৩টি পদের বিপরীতে মোট ২৬ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। তবে নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকেরা অংশ নিচ্ছেন না। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাঠে থাকছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দুটি সংগঠন।
জানা গেছে, বিরাজমান পরিস্থিতি ও বিভিন্ন সময় তাঁদের মতামত গুরুত্ব না দেওয়ার অভিযোগে এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না বিএনপিপন্থী শিক্ষকেরা। খুবির বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ভোটে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায়ও বিএনপিপন্থী কোনো শিক্ষকের নাম দেখা যায়নি। এদিকে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দুই সংগঠন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) ও বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা নির্বাচন বর্জন করেছি। যদিও জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নির্বাচনের সম্পর্ক নেই, তবুও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা নির্বাচন বর্জন করেছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের অবস্থান থেকে কথা বলার মতো পরিবেশ নেই। আমরা চেয়েছিলাম গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে এসে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিতে। অথচ গুচ্ছতে থেকে সবচেয়ে খারাপ শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হচ্ছে। এ ছাড়াও আমাদের কোনো পরামর্শের গুরুত্ব দেওয়া হয় না। সরকার যেভাবে দেশ চালাচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ও তারা সেভাবে চালাক, আমাদের তো দরকার নেই।’
নির্বাচন বর্জনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান বলেন, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় একটি অরাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে কোনো দল বা গোষ্ঠী হিসেবে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। যারা মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে তার আলোকেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফলে কেউ নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিলে সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার।’
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, খুবি শিক্ষক সমিতির ‘কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২৪’ আগামী ২৪ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জীবনানন্দ দাশ একাডেমিক ভবনের মাল্টিপারপাস রুমে অনুষ্ঠিত হবে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
২ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
২ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
২ ঘণ্টা আগে