
বিপুলসংখ্যক ভুয়া ভোটার রেখেই খুলনা চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আগামী জুন-জুলাই মাসে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যেই গত ৩১ মার্চ তফসিল ঘোষণার লক্ষ্যে নির্বাচন বোর্ড ও আপিল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, ৪ শতাধিক ভুয়া ভোটার আছে। যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়া নির্বাচন আয়োজন করলে তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না।
নির্বাচনে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে ভোটার তৈরি করা হয়েছে—এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত দুই সপ্তাহে ১২৫টি আবেদন যাচাই-বাছাই করেছে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। এর মধ্যে ৯০টি প্রতিষ্ঠানই অস্তিত্বহীন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের সদস্যপদ বাতিলের চেষ্টা চলছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, খুলনা চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন ব্যবসায়িক গোষ্ঠী ভোটার বানানো শুরু করেন। গত এক বছরে সংগঠনের সদস্য হতে আবেদন করেছেন ১ হাজার ৭০ জন। এর মধ্যে অনেকে সদস্য হয়েছেন, অনেকের আবেদন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নির্বাচনকে টার্গেট করে সাইনবোর্ড সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান খুলে নিজস্ব লোকদের ভোটার বানানো হচ্ছে। চেম্বার অব কমার্সের প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়ে এ ব্যাপারে যাচাই-বাছাইয়ের অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু সদস্য যাচাই না করেই নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
চেম্বার অব কমার্স সূত্র জানায়, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছকে খুলনা চেম্বার অব কমার্সের প্রশাসক নিয়োগ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পরবর্তীকালে ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর প্রশাসক নিয়োগ করা হয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মণ্ডলকে। তাঁকে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সূত্রটি জানায়, প্রশাসক নিয়োগের শুরু থেকেই চেম্বার নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হয়। তখন থেকেই শুরু হয় ভোটার তৈরি ও নবায়ন প্রক্রিয়া। বর্তমানে চেম্বার অব কমার্সের ১ হাজার ৮৪ জন সাধারণ শ্রেণির এবং ২৭৮ জন সহযোগী শ্রেণির সদস্য নবায়ন রয়েছে। নতুন করে আবেদন জমা রয়েছে ১ হাজার ৭০টি। নতুন এই আবেদন যাচাইয়ের জন্য কয়েক দফা আবেদন করেছে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ। তারা প্রথম দফা ৬৭টি এবং পরবর্তীকালে ৫৮টি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের তালিকা জমা দেয় এবং আরও ৪০০টি প্রতিষ্ঠান ভুয়া রয়েছে বলে জানায়। ওই তৈরি করা তালিকায় থাকা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে বিষয়টি স্বীকার করে চেম্বার অব কমার্সের প্রশাসক বিতান কুমার মণ্ডল বলেন, ব্যবসায়ীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দিয়ে ১২৫টি আবেদন যাচাই করা হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তাদের ভোটার বাতিল করা হবে।
খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সাবেক পরিচালক ও খুলনা বিপণিকেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মাসুম অভিযোগ করে বলেন, এখনো ৯৫০ আবেদন যাচাই-বাছাই করা বাকি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০০ ওপরে রয়েছে ভুয়া ভোটার। এগুলো যাচাই-বাছাই ছাড়া নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হলে সেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না।
তবে প্রশাসক বিতান কুমার মণ্ডল বলেন, ‘আমাকে দ্রুত নির্বাচন শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা যদি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের আরও তালিকা দেয় সেগুলো সময় থাকলে যাচাই করে বাদ দেওয়া হবে। কিন্তু যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ রাখা যাবে না। আর ব্যবসায়ীরা চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আবেদন করতে পারে। মন্ত্রণালয় যদি যাচাই-বাছাই শেষে তফসিল দিতে বলে আমরা সেটাই করব।’

রাত সাড়ে ১১টার দিকে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় মরিচা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম (৩৬) নিজ বাড়ির সামনে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় ১০-১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল হঠাৎ তাঁর ওপর হামলা চালায়।
৩ মিনিট আগে
মায়ের মৃত্যুর পর সেনাসদস্য সোহেল আলী ও তাঁর ভাই জয় আলী ওয়ার্ডে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক তানিয়া আক্তার ও মো. শিবলীর কাছে যান। তাঁরা অভিযোগ করেন, চিকিৎসায় অবহেলার কারণে তাঁদের মায়ের মৃত্যু হয়েছে। সোহেল আলী এ সময় ভিডিও করছিলেন।
৭ মিনিট আগে
সুমিষ্ট আর রসালো বলে বিদেশি ফল আঙুরের চাহিদা এ দেশে বরাবরই বেশি। দামও তাই মোটামুটি আকাশছোঁয়া। তবে এবার দেশের মাটিতেই সুমিষ্ট আঙুর ফলিয়ে বাজিমাত করলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. আবুল হাসেম মোড়ল। গাজীপুরের শ্রীপুরে আবুল হাসেমের বাগানে বাঁশের মাচায় থোকায় থোকায় ঝুলে রয়েছে বাহারি আঙুর।
১ ঘণ্টা আগে
সকাল ৭টার দিকে একই এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর রেলওয়ে ওভারব্রিজসংলগ্ন সার্ভিস রোডে আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটে। সড়ক মেরামতকাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও মালামাল বহনকারী একটি পিকআপের চাকা হঠাৎ বিস্ফোরিত হলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এতে পিকআপে থাকা পাঁচজন শ্রমিক আহত হন।
১ ঘণ্টা আগে