খুলনা প্রতিনিধি

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চলমান সংগ্রামে নিজেদেরকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় না করাতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. শাফকুল আলম মনা। আজ রোববার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের কেডি ঘোষ রোডের বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাড. শাফকুল আলম মনা বলেন, ‘দেশ আজ এক কঠিন সংকট সময় অতিক্রম করছে। প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে পুলিশ প্রশাসনের কর্তব্য হলো মুক্তিকামী ১৮ কোটি মানুষের বিপক্ষে না দাঁড়িয়ে, অবৈধ নিশিরাতের সরকারের অন্যায় হুকুম তামিল না করে, সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করা।’
পুলিশের বিশেষ অভিযানের নামে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ ২৬ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়ে মনা বলেন, ‘মহানগরীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতের অবনতি ঘটান, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সমাজবিরোধী অপশক্তিকে দমনের পরিবর্তে পুলিশ বিশেষ উদ্দেশে নিয়ে বিএনপির ত্যাগী পরীক্ষিত রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। গণহারে গ্রেপ্তার এবং গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার ও ঢাকায় বিএনপির গণ সমাবেশে অংশ নিলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দিচ্ছে, যা মোটেই কাম্য নয়।’ কারও আজ্ঞাবহ না হয়ে দেশ ও দেশের জনগণের স্বার্থে কাজ করার জন্য তিনি পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
অ্যাড. মনা বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ বানচাল করতে বিশেষ অভিযানের নামে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার-হয়রানি-বাড়িতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে মহানগরীর বিভিন্ন থানায় পুলিশি অভিযানে ২৬ জন নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ২৬ জন নেতা-কর্মী নাম তুলে ধরেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইমদাদুল হক, যুবদল নেতা কামাল হোসেন, বিএনপি নেতা ইয়াসিন, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আসলাম শেখ, ছাত্রদল নেতা রাসিকুল আনাম রাসু, যুবদল নেতা মেহেদী হাসান বাপ্পী, বিএনপি নেতা আরিফিন শরীফ, যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী, আল মামুন, বিএনপি নেতা আরিফুর রহমান আরিফ, মো. আসাদ, ছাত্রদল নেতা তরিকুল ইসলাম (শামীম), যুবদল নেতা মো. সেলিম, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহজাহান বাদশা, শ্রমিক দল নেতা মিরাজ, যুবদল নেতা মো. সেলিম, ছাত্রনেতা শামীম, যুবদল নেতা ইব্রাহিম হোসেন, বিএনপি নেতা মো. মাসুদ, মো. মিঠু, ইউসুফ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হোসেন বাবুসহ অনেকে।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চলমান সংগ্রামে নিজেদেরকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় না করাতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. শাফকুল আলম মনা। আজ রোববার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের কেডি ঘোষ রোডের বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাড. শাফকুল আলম মনা বলেন, ‘দেশ আজ এক কঠিন সংকট সময় অতিক্রম করছে। প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে পুলিশ প্রশাসনের কর্তব্য হলো মুক্তিকামী ১৮ কোটি মানুষের বিপক্ষে না দাঁড়িয়ে, অবৈধ নিশিরাতের সরকারের অন্যায় হুকুম তামিল না করে, সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করা।’
পুলিশের বিশেষ অভিযানের নামে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ ২৬ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়ে মনা বলেন, ‘মহানগরীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতের অবনতি ঘটান, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সমাজবিরোধী অপশক্তিকে দমনের পরিবর্তে পুলিশ বিশেষ উদ্দেশে নিয়ে বিএনপির ত্যাগী পরীক্ষিত রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। গণহারে গ্রেপ্তার এবং গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার ও ঢাকায় বিএনপির গণ সমাবেশে অংশ নিলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দিচ্ছে, যা মোটেই কাম্য নয়।’ কারও আজ্ঞাবহ না হয়ে দেশ ও দেশের জনগণের স্বার্থে কাজ করার জন্য তিনি পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
অ্যাড. মনা বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ বানচাল করতে বিশেষ অভিযানের নামে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার-হয়রানি-বাড়িতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে মহানগরীর বিভিন্ন থানায় পুলিশি অভিযানে ২৬ জন নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ২৬ জন নেতা-কর্মী নাম তুলে ধরেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইমদাদুল হক, যুবদল নেতা কামাল হোসেন, বিএনপি নেতা ইয়াসিন, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আসলাম শেখ, ছাত্রদল নেতা রাসিকুল আনাম রাসু, যুবদল নেতা মেহেদী হাসান বাপ্পী, বিএনপি নেতা আরিফিন শরীফ, যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী, আল মামুন, বিএনপি নেতা আরিফুর রহমান আরিফ, মো. আসাদ, ছাত্রদল নেতা তরিকুল ইসলাম (শামীম), যুবদল নেতা মো. সেলিম, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহজাহান বাদশা, শ্রমিক দল নেতা মিরাজ, যুবদল নেতা মো. সেলিম, ছাত্রনেতা শামীম, যুবদল নেতা ইব্রাহিম হোসেন, বিএনপি নেতা মো. মাসুদ, মো. মিঠু, ইউসুফ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হোসেন বাবুসহ অনেকে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে