
টানা বৃষ্টিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) ক্যাম্পাসে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে পানি ঢুকে পড়ায় শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। তবে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম ক্যাম্পাস ঘুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। শিক্ষার্থীরা বৃষ্টিতে সৃষ্ট তাঁদের নানা সমস্যা ও দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি হলের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, ‘কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ময়ূর নদের পানি উপচে পড়ছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে এবং হলের কক্ষে পানি ঢুকে পড়ায় শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগে পড়েছে। এই দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বৃষ্টি বন্ধ হলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পানি নদীতে নেমে যাবে। তখন সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। তবে আপাতত হলের কক্ষ থেকে পানি বের করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
এ সময় খানজাহান আলী হলের সহকারী রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান খান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক মুহিব্বুল্লাহসহ হলের আবাসনরত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে ড. মো. রেজাউল করিম ময়ূর নদের পানি যাওয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের সংযোগ খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি খালের বিভিন্ন অংশ দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্থাপনা–দোকানমালিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করে দেওয়ার অনুরোধ করেন। তিনি এ বিষয়ে জেলা প্রশাসককে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পত্র দেওয়া হবে বলেও জানান।

ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন। ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯১৭ সালে ব্রহ্মপুত্রের পূর্বপাড়ে এটি গড়ে তোলা হয়। বর্তমানে জনবলসংকট, জরাজীর্ণ অবকাঠামো নিয়ে শতাব্দীপ্রাচীন স্টেশনটির ভগ্নদশা। স্থানীয়দের দাবি, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উন্নত অবকাঠামো দিয়ে এই পুরোনো স্টেশনটিকে অত্যাধুনিক করা
৪ ঘণ্টা আগে
পূর্ব সুন্দরবনে মধু আহরণের মৌসুম শুরু হলেও চলতি বছর আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বনদস্যুদের আতঙ্কে অনেক মৌয়াল সুন্দরবনে যেতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ মাঝপথেই ফিরে আসছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশের ব্যস্ততম সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। এই সড়কে এখন বইছে বসন্তের বাতাস। বাস্তবিক অর্থেই ফুলে ফুলে ভরে গেছে এই মহাসড়ক। সড়ক বিভাজকে লাগানো গাছে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রামের শেষ প্রান্ত মোহাম্মদ আলী পর্যন্ত প্রায় ১০৫ কিলোমিটারজুড়ে ফুটেছে রাধাচূড়া।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরায় ঢাকঢোল পিটিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান চালিয়েও কোনো কাজে আসেনি। উচ্ছেদ অভিযানের আগে যে অবস্থা ছিল, এখন আবার সেই একই অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সরেজমিনে এ চিত্র দেখা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে