ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি

ছাগল হত্যার দায়ে গ্রামীণ সালিশি বৈঠকে তিন যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ডুমুরিয়ার এক ইউপি মেম্বার ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ সময় পুলিশ ও স্থানীয় কয়েক শ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ওই যুবকদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
ডুমুরিয়ার মাগুরখালী ইউনিয়নের হেতালবুনিয়া বাজারে গতকাল শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতরা স্থানীয় সুজিৎ সাধু নামের একজনের মুরগির খামারের কর্মচারী।
সুজিৎ সাধু জানান, গত শুক্রবার একই এলাকার সঞ্জয় মিস্ত্রির একটি ছাগল তাঁর খামারে ঢুকে মুরগির খাবার খেতে শুরু করে। এ সময় তাঁর কর্মচারীরা ওই ছাগলটিকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে সেটি মারা যায়। ঘটনাটি তিনি জানতে পেরে রাতেই কর্মচারীদের নিয়ে ছাগলের মালিকের বাড়িতে যান এবং এ ঘটনার জন্য ক্ষমা চান। তিনি ছাগলের দামও দিতে চান। মৃত ছাগলটির ওজন ৬ কেজি।
কিন্তু স্থানীয় ইউপি মেম্বার সঞ্জয় সানা ও তাঁর সহযোগী সজল মণ্ডল ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে হেতালবুনিয়া বাজারে সালিস বৈঠকের আয়োজন করেন। সেখানে স্থানীয় মাগুরখালী ক্যাম্পের ইনচার্জ আছাদুজ্জামান, এএসআই শাহিন, আওয়ামী লীগ নেতা অমল সানাসহ চার শতাধিক গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে খামারের কর্মচারীদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তখনই তাঁরা ১০ হাজার টাকা আদায় করে নেন। পরে খামারের কর্মচারী বিশ্বজিৎ সরদার, আকাশ ও দেবাশীষকে গামছা দিয়ে হাত-পা বেঁধে মাটিতে ফেলে বুকের ওপর দাঁড়িয়ে পেটানো হয়। আহত বিশ্বজিতের অবস্থা এখন আশঙ্কাজনক।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুজিৎ বলেন, ‘পুলিশের সামনে আমার কর্মচারীদের নির্যাতন শুধু নির্বাক হয়ে দেখেছি। বলার কিছু ছিল না। আমাকেও ওরা অপমান করেছে। আমার কর্মচারীদের সরকারি কোনো হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া যাবে না বলে শাসিয়েছে। কর্মচারীদের মুরগির খামারে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
অভিযুক্ত ইউপি মেম্বার সঞ্জয় দাবি করে বলেন, ‘ফার্মের (খামার) কর্মচারীরা ছাগলটি জবাই করে খেয়েছে। ছাগলের মালিক খুব গরিব। তাই সকলের উপস্থিতিতে ফার্ম কর্মচারীদের মাত্র ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১০ হাজার নগদ দিয়েছে। আর হালকা পাতলা একটু মারপিট করেছি, যাতে ওদের লজ্জা হয়।’
এসআই আছাদুজ্জান বলেন, তিনি সালিসে ছিলেন না।
ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবাইদুর রহমান বলেন, ফার্মের (খামার) কর্মচারীরা অন্যের ছাগল জবাই করে খেয়েছে এবং এ নিয়ে সালিস বৈঠক হয়েছে। পুলিশ তখন এলাকায় টহল দিচ্ছিল বলে ইনচার্জ আছাদুজ্জামান তাঁকে জানিয়েছেন। এ ঘটনা তাঁকে কেউ জানায়নি।

ছাগল হত্যার দায়ে গ্রামীণ সালিশি বৈঠকে তিন যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ডুমুরিয়ার এক ইউপি মেম্বার ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ সময় পুলিশ ও স্থানীয় কয়েক শ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ওই যুবকদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
ডুমুরিয়ার মাগুরখালী ইউনিয়নের হেতালবুনিয়া বাজারে গতকাল শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতরা স্থানীয় সুজিৎ সাধু নামের একজনের মুরগির খামারের কর্মচারী।
সুজিৎ সাধু জানান, গত শুক্রবার একই এলাকার সঞ্জয় মিস্ত্রির একটি ছাগল তাঁর খামারে ঢুকে মুরগির খাবার খেতে শুরু করে। এ সময় তাঁর কর্মচারীরা ওই ছাগলটিকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে সেটি মারা যায়। ঘটনাটি তিনি জানতে পেরে রাতেই কর্মচারীদের নিয়ে ছাগলের মালিকের বাড়িতে যান এবং এ ঘটনার জন্য ক্ষমা চান। তিনি ছাগলের দামও দিতে চান। মৃত ছাগলটির ওজন ৬ কেজি।
কিন্তু স্থানীয় ইউপি মেম্বার সঞ্জয় সানা ও তাঁর সহযোগী সজল মণ্ডল ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে হেতালবুনিয়া বাজারে সালিস বৈঠকের আয়োজন করেন। সেখানে স্থানীয় মাগুরখালী ক্যাম্পের ইনচার্জ আছাদুজ্জামান, এএসআই শাহিন, আওয়ামী লীগ নেতা অমল সানাসহ চার শতাধিক গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে খামারের কর্মচারীদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তখনই তাঁরা ১০ হাজার টাকা আদায় করে নেন। পরে খামারের কর্মচারী বিশ্বজিৎ সরদার, আকাশ ও দেবাশীষকে গামছা দিয়ে হাত-পা বেঁধে মাটিতে ফেলে বুকের ওপর দাঁড়িয়ে পেটানো হয়। আহত বিশ্বজিতের অবস্থা এখন আশঙ্কাজনক।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুজিৎ বলেন, ‘পুলিশের সামনে আমার কর্মচারীদের নির্যাতন শুধু নির্বাক হয়ে দেখেছি। বলার কিছু ছিল না। আমাকেও ওরা অপমান করেছে। আমার কর্মচারীদের সরকারি কোনো হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া যাবে না বলে শাসিয়েছে। কর্মচারীদের মুরগির খামারে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
অভিযুক্ত ইউপি মেম্বার সঞ্জয় দাবি করে বলেন, ‘ফার্মের (খামার) কর্মচারীরা ছাগলটি জবাই করে খেয়েছে। ছাগলের মালিক খুব গরিব। তাই সকলের উপস্থিতিতে ফার্ম কর্মচারীদের মাত্র ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১০ হাজার নগদ দিয়েছে। আর হালকা পাতলা একটু মারপিট করেছি, যাতে ওদের লজ্জা হয়।’
এসআই আছাদুজ্জান বলেন, তিনি সালিসে ছিলেন না।
ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবাইদুর রহমান বলেন, ফার্মের (খামার) কর্মচারীরা অন্যের ছাগল জবাই করে খেয়েছে এবং এ নিয়ে সালিস বৈঠক হয়েছে। পুলিশ তখন এলাকায় টহল দিচ্ছিল বলে ইনচার্জ আছাদুজ্জামান তাঁকে জানিয়েছেন। এ ঘটনা তাঁকে কেউ জানায়নি।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৭ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে