নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনা বিএনপির নেতারা বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশ যে অবস্থায় পৌঁছেছে, সে অবস্থা থেকে মানুষ মুক্তি পেতে চাইছে। সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে বিএনপির আন্দোলন অংশ নিচ্ছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনায় বিএনপির সমাবেশ হবে স্মরণকালে সর্ববৃহৎ সমাবেশ। শাসক দল আওয়ামী লীগ বুঝতে পেরেছে জনগণ তাদের সঙ্গে নেই।’
আজ সোমবার দুপুরে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি, বিদ্যুৎ ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে খুলনা বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে নগরীতে লিফলেট বিতরণকালে তাঁরা এসব কথা বলেন।
তাঁরা আরও বলেন, ‘বর্তমান নিশিরাতের সরকারের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে বুঝতে পেরে তারা বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দিচ্ছে। কিন্তু কোনো বাধাই বিভাগীয় সমাবেশ ঠেকাতে পারবে না। বাংলাদেশের আন্দোলনের ইতিহাসে এ সমাবেশ মাইলফলক হিসেবে থাকবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হোসেন বাবু।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স ম আব্দুর রহমান, খান জুলফিকার আলী জুলু, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, শের আলম সান্টু, বদরুল আনাম খান, চৌধুরি শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, কে এম হুমায়ুন কবির, কাজী মিজানুর রহমান, নাসির খান, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, তারিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিলটন, আলী আক্কাস, মুজিবর রহমান, এস এম মুর্শিদুর রহমান লিটন, সরদার আব্দুল মালেক, রাহাত আলী লাচ্চু, শামসুল বারি পান্না, অ্যাডভোকেট কানিজ ফাতেমা আমিন, কাজী কামরুল ইসলাম বাবু, শেখ আরশাদ আলী, ডা. শেখ আলতাফ হোসেন, কে এম মাহবুবুল আলম, এইচ এম আসলাম, হায়দার আলী তরফদার, ওহিদুজ্জামান হাওলাদার, জাহাঙ্গীর হোসেন, আহসানুল কবির শাহিন, হাসান আল মামুন বাপ্পি, সওগাতুল আলম সগির, জাহাঙ্গীর আলম, জাকির ইকবাল বাপ্পি, মঈদুল হক টুকু, মিজানুর রহমান মিজান, সোহরাব হোসেন, অ্যাডভোকেট হালিমা আক্তার খানম, কাওসারী জাহান মঞ্জু, আরিফা আশরাফী চুমকি, সৈয়দ ইমরান প্রমুখ।

খুলনা বিএনপির নেতারা বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশ যে অবস্থায় পৌঁছেছে, সে অবস্থা থেকে মানুষ মুক্তি পেতে চাইছে। সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে বিএনপির আন্দোলন অংশ নিচ্ছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনায় বিএনপির সমাবেশ হবে স্মরণকালে সর্ববৃহৎ সমাবেশ। শাসক দল আওয়ামী লীগ বুঝতে পেরেছে জনগণ তাদের সঙ্গে নেই।’
আজ সোমবার দুপুরে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি, বিদ্যুৎ ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে খুলনা বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে নগরীতে লিফলেট বিতরণকালে তাঁরা এসব কথা বলেন।
তাঁরা আরও বলেন, ‘বর্তমান নিশিরাতের সরকারের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে বুঝতে পেরে তারা বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দিচ্ছে। কিন্তু কোনো বাধাই বিভাগীয় সমাবেশ ঠেকাতে পারবে না। বাংলাদেশের আন্দোলনের ইতিহাসে এ সমাবেশ মাইলফলক হিসেবে থাকবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হোসেন বাবু।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স ম আব্দুর রহমান, খান জুলফিকার আলী জুলু, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, শের আলম সান্টু, বদরুল আনাম খান, চৌধুরি শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, কে এম হুমায়ুন কবির, কাজী মিজানুর রহমান, নাসির খান, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, তারিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিলটন, আলী আক্কাস, মুজিবর রহমান, এস এম মুর্শিদুর রহমান লিটন, সরদার আব্দুল মালেক, রাহাত আলী লাচ্চু, শামসুল বারি পান্না, অ্যাডভোকেট কানিজ ফাতেমা আমিন, কাজী কামরুল ইসলাম বাবু, শেখ আরশাদ আলী, ডা. শেখ আলতাফ হোসেন, কে এম মাহবুবুল আলম, এইচ এম আসলাম, হায়দার আলী তরফদার, ওহিদুজ্জামান হাওলাদার, জাহাঙ্গীর হোসেন, আহসানুল কবির শাহিন, হাসান আল মামুন বাপ্পি, সওগাতুল আলম সগির, জাহাঙ্গীর আলম, জাকির ইকবাল বাপ্পি, মঈদুল হক টুকু, মিজানুর রহমান মিজান, সোহরাব হোসেন, অ্যাডভোকেট হালিমা আক্তার খানম, কাওসারী জাহান মঞ্জু, আরিফা আশরাফী চুমকি, সৈয়দ ইমরান প্রমুখ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে