খুলনার কয়রা থানা-পুলিশের দুই উপপরিদর্শকের (এসআই) মধ্যে মারামারি হয়েছে। এতে একজনের মাথা ফেটে গেছে। আজ শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলা সদরের একটি খাবার হোটেলে পুলিশের দুই কর্মকর্তা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
তারা হলেন-এসআই নিরঞ্জন মন্ডল ও এসআই মো. মাসুম। এ ঘটনায় এসআই মো. মাসুমের মাথা ফেটে গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এসআই মাসুম কয়রা উপজেলা সদরের আঁখি হোটেলে খাবার জন্য বসেছিলেন। কিছুক্ষণ পর একটি মোটরসাইকেলে এসআই নিরঞ্জন সেখানে আসেন। মোটরসাইকেল থেকে নেমেই তিনি এসআই মাসুমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। এসআই মাসুমও তাৎক্ষণিক এর প্রতিবাদ জানান।
একপর্যায়ে এসআই নিরঞ্জন প্লাস্টিকের চেয়ার তুলে মাসুমকে আঘাত করেন। এ সময় এসআই মাসুমও চেয়ার তুলে এসআই নিরঞ্জনকে পাল্টা আঘাত করেন। দুজনের মারামারির একপর্যায়ে এসআই মাসুমের মাথা ফেটে যায়। পরে হোটেলে উপস্থিত লোকজন এসে তাদেরকে শান্ত করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, একটি মোটরসাইকেল আটক করাকে কেন্দ্র করে থানার দুই এসআই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। আমরা উপস্থিত লোকজন তাদেরকে শান্ত করি। এ সময় নিরঞ্জনের চেয়ারের বাড়িতে মাসুমের মাথা ফেটে রক্ত বের হয়। তাকে তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে দুই এসআইয়ের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘থানার দুইজন এসআই একটি বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনাটি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেখছেন। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক একজনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে নিউজ করার দরকার নেই।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে