খুবি প্রতিনিধি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবনের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম উপাচার্য গোলাম রহমানের নামে এর নামকরণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি খুবি সিন্ডিকেটের ২৩০তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের নতুন নামকরণের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ বুধবার সকালে ‘প্রফেসর ড. গোলাম রহমান প্রশাসনিক ভবন’-এর নামফলক উন্মোচন করেন গোলাম রহমান।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রথম উপাচার্য খুবির প্রারম্ভিক পথচলার নানা উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন খোলা, আবাসিক হল ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন।
নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে গোলাম রহমান বলেন, ‘তোমাদের আন্দোলনে মহাবিপ্লবের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত হতে হবে। দেশ ও জাতির উন্নয়নে নিজেদের ভূমিকা রাখতে হবে।’
প্রবীণ এই অধ্যাপক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমি কখনো কিছু চাইনি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবন শেষে দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হোক, এটাই ছিল প্রত্যাশা। আজ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে সম্মান আমাকে দিল, তাতে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতের পথচলায় আমি সবার কাছে দোয়া প্রত্যাশা করি।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আমাদের নতুনভাবে পথচলা সুগম হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের নামে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রারম্ভিক পথচলা ও উৎকর্ষ সাধনে প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের অবদান চিরস্মরণীয়। এ জন্য তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়ে পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের নামকরণ হয়েছে।’
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য মো. হারুনর রশীদ খান, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, প্রভোস্ট, বিভাগীয় পরিচালকসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবনের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম উপাচার্য গোলাম রহমানের নামে এর নামকরণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি খুবি সিন্ডিকেটের ২৩০তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের নতুন নামকরণের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ বুধবার সকালে ‘প্রফেসর ড. গোলাম রহমান প্রশাসনিক ভবন’-এর নামফলক উন্মোচন করেন গোলাম রহমান।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রথম উপাচার্য খুবির প্রারম্ভিক পথচলার নানা উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন খোলা, আবাসিক হল ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন।
নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে গোলাম রহমান বলেন, ‘তোমাদের আন্দোলনে মহাবিপ্লবের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত হতে হবে। দেশ ও জাতির উন্নয়নে নিজেদের ভূমিকা রাখতে হবে।’
প্রবীণ এই অধ্যাপক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমি কখনো কিছু চাইনি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবন শেষে দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হোক, এটাই ছিল প্রত্যাশা। আজ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে সম্মান আমাকে দিল, তাতে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতের পথচলায় আমি সবার কাছে দোয়া প্রত্যাশা করি।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আমাদের নতুনভাবে পথচলা সুগম হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের নামে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রারম্ভিক পথচলা ও উৎকর্ষ সাধনে প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের অবদান চিরস্মরণীয়। এ জন্য তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়ে পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের নামকরণ হয়েছে।’
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য মো. হারুনর রশীদ খান, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, প্রভোস্ট, বিভাগীয় পরিচালকসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে