কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করা শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে কুষ্টিয়ার কালিশংকরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আজ মঙ্গলবার ভোরে তিনতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে নিচতলা থেকে দুজনকে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। তাঁদের মধ্যে একজন সুব্রত বাইন। দেড় মাস আগে তাঁরা ওই বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন।
আজ সকাল ১০টার দিকে পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কালিশংকরপুর সোনার বাংলা মসজিদ সড়কে গিয়ে দেখা যায়, মীর মহির উদ্দিনের মালিকানাধীন তিনতলা ভবনের সামনে এলাকাবাসীর ভিড়। কোনো একটা বিষয় নিয়ে কানাঘুষা করছেন তাঁরা। গণমাধ্যমকর্মীদের দেখে স্থান ত্যাগ করেন অনেকে। যাঁরা দাঁড়িয়ে ছিলেন, তাঁরাও ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি নন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দেড় মাস আগে কালিশংকরপুর সোনার বাংলা সড়ক এলাকার মৃত মীর মহিউদ্দিনের তিনতলা বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা। তাঁকে বাড়ি ভাড়া নিতে সহযোগিতা করেন স্থানীয় প্রবাসফেরত হেলাল নামের এক যুবক। ওই বাড়িতেই থাকতেন তাঁরা। বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেওয়ার পর থেকে দরজা-জানালা খুলতে দেখেননি স্থানীয় বাসিন্দারা। ওপরের দোতলায় ছাত্রাবাস ছিল। আজ হঠাৎ ভোররাতে বাড়িটির তালা ভাঙার শব্দ পেয়ে ছুটে আসেন তাঁরা। এরপর দেখতে পান সেনাবাহিনীর সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে অভিযান চালাচ্ছেন। এর কিছুক্ষণ পর দুজনকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনীর গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জানতে পারেন, এই বাড়িতেই ভাড়া থাকতেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও তাঁর সহযোগীরা। এরপর থেকে আতঙ্কে দিন কাটছে এলাকাবাসীর।
এ সময় রবিউল ইসলাম নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার সময় রাস্তায় ভোর ৪টার দিকে সেনাবাহিনীর গাড়ি দেখতে পাই। এ সময় মীর মহির উদ্দিনের বাড়ি ঘিরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা জানান, ছাত্রদের মেসে অভিযান চলছে। এরপর ওই বাড়ি থেকে দুজনকে নিয়ে যাওয়া হয়।’
ছাত্রাবাসে থাকা ইমন নামের এক শিক্ষার্থী আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ‘ভোররাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছাত্রাবাসে এসে আমাদের সবাইকে একত্রিত করেন। একটি কক্ষের ভেতরে ১৮ জনকে রেখে আমাদের বলা হয়, অভিযান চলছে। এরপর নিচতলা থেকে দুজনকে নিয়ে যায়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য বলেন, ‘ঢাকার একটি টিম অভিযান পরিচালনা করেছে। তারা দুজনকে নিয়ে গেছে। জানতে পেরেছি, তাঁদের মধ্যে একজন সুব্রত বাইন।’
এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর কুষ্টিয়া ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমিও শুনেছি। তবে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা এ ব্যাপারে কথা বলেননি।’
শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে ধরতে তাঁর মাথার ওপর ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি রয়েছে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তাঁকে ধরিয়ে দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। পুরস্কার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর একজন ছিলেন সুব্রত বাইন।
আরও খবর পড়ুন:

ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করা শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে কুষ্টিয়ার কালিশংকরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আজ মঙ্গলবার ভোরে তিনতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে নিচতলা থেকে দুজনকে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। তাঁদের মধ্যে একজন সুব্রত বাইন। দেড় মাস আগে তাঁরা ওই বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন।
আজ সকাল ১০টার দিকে পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কালিশংকরপুর সোনার বাংলা মসজিদ সড়কে গিয়ে দেখা যায়, মীর মহির উদ্দিনের মালিকানাধীন তিনতলা ভবনের সামনে এলাকাবাসীর ভিড়। কোনো একটা বিষয় নিয়ে কানাঘুষা করছেন তাঁরা। গণমাধ্যমকর্মীদের দেখে স্থান ত্যাগ করেন অনেকে। যাঁরা দাঁড়িয়ে ছিলেন, তাঁরাও ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি নন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দেড় মাস আগে কালিশংকরপুর সোনার বাংলা সড়ক এলাকার মৃত মীর মহিউদ্দিনের তিনতলা বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা। তাঁকে বাড়ি ভাড়া নিতে সহযোগিতা করেন স্থানীয় প্রবাসফেরত হেলাল নামের এক যুবক। ওই বাড়িতেই থাকতেন তাঁরা। বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেওয়ার পর থেকে দরজা-জানালা খুলতে দেখেননি স্থানীয় বাসিন্দারা। ওপরের দোতলায় ছাত্রাবাস ছিল। আজ হঠাৎ ভোররাতে বাড়িটির তালা ভাঙার শব্দ পেয়ে ছুটে আসেন তাঁরা। এরপর দেখতে পান সেনাবাহিনীর সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে অভিযান চালাচ্ছেন। এর কিছুক্ষণ পর দুজনকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনীর গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জানতে পারেন, এই বাড়িতেই ভাড়া থাকতেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও তাঁর সহযোগীরা। এরপর থেকে আতঙ্কে দিন কাটছে এলাকাবাসীর।
এ সময় রবিউল ইসলাম নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার সময় রাস্তায় ভোর ৪টার দিকে সেনাবাহিনীর গাড়ি দেখতে পাই। এ সময় মীর মহির উদ্দিনের বাড়ি ঘিরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা জানান, ছাত্রদের মেসে অভিযান চলছে। এরপর ওই বাড়ি থেকে দুজনকে নিয়ে যাওয়া হয়।’
ছাত্রাবাসে থাকা ইমন নামের এক শিক্ষার্থী আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ‘ভোররাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছাত্রাবাসে এসে আমাদের সবাইকে একত্রিত করেন। একটি কক্ষের ভেতরে ১৮ জনকে রেখে আমাদের বলা হয়, অভিযান চলছে। এরপর নিচতলা থেকে দুজনকে নিয়ে যায়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য বলেন, ‘ঢাকার একটি টিম অভিযান পরিচালনা করেছে। তারা দুজনকে নিয়ে গেছে। জানতে পেরেছি, তাঁদের মধ্যে একজন সুব্রত বাইন।’
এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর কুষ্টিয়া ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমিও শুনেছি। তবে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা এ ব্যাপারে কথা বলেননি।’
শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে ধরতে তাঁর মাথার ওপর ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি রয়েছে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তাঁকে ধরিয়ে দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। পুরস্কার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর একজন ছিলেন সুব্রত বাইন।
আরও খবর পড়ুন:

নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি এ রায় ঘোষণা করেন।
২০ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকের টানানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের...
২৬ মিনিট আগে
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর হয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন। তাতে দেশের বিদ্যমান আইনে কোনো বাধা নেই। কারণ, আপনারা ভোটার, আপনাদের নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পছন্দ থাকবেই, থাকারই কথা। আপনারা নাগরিকদের উৎসাহিত করেন। সাদা ব্যালটে যেন তাঁরা
৪৪ মিনিট আগে