
করোনায় প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে অসংখ্য শিক্ষার্থী। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটেছে বেশি। যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১২৩ জনের মধ্যে ৩০ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে।
উপজেলার বল্লা বিএনকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২০ সালে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ১২৩ জন। বিদ্যালয় খোলার পর দেখা গেছে এদের মধ্যে ৩০ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে হয়ে গেছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী ৩১ জন ছাত্রীর মধ্যে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে ১২জন, দশম শ্রেণির ২২ জনের মধ্যে ৭ জন, নবম শ্রেণির ১৮ জনের মধ্যে ৭ জন, অষ্টম শ্রেণির ২৮ জনের মধ্যে একজন ও সপ্তম শ্রেণির ২৪ জনের মধ্যে তিনজন বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বল্লা গ্রামের একজন অভিভাবক বলেন, দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মেয়েটা লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে যাওয়ায় বিয়ে দিয়েছি। একই গ্রামের উজ্জ্বল হোসেন নামে একজন বলেন, ভাতিজির বয়স হয়নি ঠিক কিন্তু ভালো পাত্র পেয়ে বিয়ে দিয়েছি। তাছাড়া বিদ্যালয়ও তো অনেক দিন বন্ধ ছিল। তাঁর ভাতিজি সপ্তাহ শ্রেণিতে পড়ত।
বিদ্যালয়টি উপজেলার নির্বাসখোলা ইউনিয়নে অবস্থিত। কথা হয় এ ইউনিয়নের কাজী মাওলানা আনারুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, করোনার সময়ে ওই গ্রামের সব মেয়ের বিয়ের রেজিস্ট্রি আমি করিনি। হয়তো কিছু মেয়ের বিয়ের রেজিস্ট্রি আমি করেছি।
যেগুলো তিনি করেছেন সেগুলোও তো বাল্যবিয়ে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কন্যা দায়গ্রস্থের কারণে স্থানীয়দের চাপে করতে হয়েছে এসব।
বল্লা বিএনকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোকবুল হোসেন বলেন, অসচেতনতার কারণে বাল্যবিয়ে রোধ করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে কাজীরা বাল্যবিয়েকে যতক্ষণ না বলবে ততক্ষণ, বাল্যবিয়ে বন্ধ করা যাবে না।
ঝিকরগাছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শাহনুর কবীর বলেন, শুধু মাধ্যমিক না উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ও অসংখ্য ছাত্রী বিয়ের পিড়িতে বসেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএসএম জিল্লুর রশীদ বলেন, শুধু বল্লা স্কুল না, সব প্রতিষ্ঠানে প্রায় একই অবস্থা। বিষয়টি খুব উদ্বেগজনক। এর প্রতিকার নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হবে।

করোনায় প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে অসংখ্য শিক্ষার্থী। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটেছে বেশি। যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১২৩ জনের মধ্যে ৩০ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে।
উপজেলার বল্লা বিএনকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২০ সালে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ১২৩ জন। বিদ্যালয় খোলার পর দেখা গেছে এদের মধ্যে ৩০ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে হয়ে গেছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী ৩১ জন ছাত্রীর মধ্যে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে ১২জন, দশম শ্রেণির ২২ জনের মধ্যে ৭ জন, নবম শ্রেণির ১৮ জনের মধ্যে ৭ জন, অষ্টম শ্রেণির ২৮ জনের মধ্যে একজন ও সপ্তম শ্রেণির ২৪ জনের মধ্যে তিনজন বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বল্লা গ্রামের একজন অভিভাবক বলেন, দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মেয়েটা লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে যাওয়ায় বিয়ে দিয়েছি। একই গ্রামের উজ্জ্বল হোসেন নামে একজন বলেন, ভাতিজির বয়স হয়নি ঠিক কিন্তু ভালো পাত্র পেয়ে বিয়ে দিয়েছি। তাছাড়া বিদ্যালয়ও তো অনেক দিন বন্ধ ছিল। তাঁর ভাতিজি সপ্তাহ শ্রেণিতে পড়ত।
বিদ্যালয়টি উপজেলার নির্বাসখোলা ইউনিয়নে অবস্থিত। কথা হয় এ ইউনিয়নের কাজী মাওলানা আনারুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, করোনার সময়ে ওই গ্রামের সব মেয়ের বিয়ের রেজিস্ট্রি আমি করিনি। হয়তো কিছু মেয়ের বিয়ের রেজিস্ট্রি আমি করেছি।
যেগুলো তিনি করেছেন সেগুলোও তো বাল্যবিয়ে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কন্যা দায়গ্রস্থের কারণে স্থানীয়দের চাপে করতে হয়েছে এসব।
বল্লা বিএনকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোকবুল হোসেন বলেন, অসচেতনতার কারণে বাল্যবিয়ে রোধ করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে কাজীরা বাল্যবিয়েকে যতক্ষণ না বলবে ততক্ষণ, বাল্যবিয়ে বন্ধ করা যাবে না।
ঝিকরগাছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শাহনুর কবীর বলেন, শুধু মাধ্যমিক না উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ও অসংখ্য ছাত্রী বিয়ের পিড়িতে বসেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএসএম জিল্লুর রশীদ বলেন, শুধু বল্লা স্কুল না, সব প্রতিষ্ঠানে প্রায় একই অবস্থা। বিষয়টি খুব উদ্বেগজনক। এর প্রতিকার নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে