
রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে যশোর জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আজ বুধবার বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তিনি বেসরকারি এনজিও রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রহমত আলী অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী সুদীপ্ত ঘোষ।
আসামিরা হলেন শহরের নলডাঙ্গা রোডের তারাপদ দাসের ছেলে ও জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতন এবং খালধার রোডের ফটিক চন্দ্র ঘোষের ছেলে ও পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার ঘোষ।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আসামিরা বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতা ও ক্ষমতাধর ব্যক্তি ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে সরকারপ্রধান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরপর রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিকভাবে সংসদ বিলুপ্ত করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন।
আসামিরা এতে সন্তুষ্ট না হয়ে নতুন সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় আসামিরা সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা, সহিংসতা উসকে দেওয়ার লক্ষ্যে সাম্প্রদায়িক হামলার মিথ্যা তথ্য দিয়ে লিফলেট বিলি, সমাবেশে বক্তব্য, সামাজিক মাধ্যমসহ মিডিয়ায় উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।
আসামিরা ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। আসামিদের এমন কর্মকাণ্ড দেশের সার্বভৌমত্ব, সংহতি এবং শৃঙ্খলার প্রতি হুমকিস্বরূপ। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র দৃষ্টিগোচর হওয়ায় তিনি আদালতে এই মামলা করেছেন।

‘আমার মা সকালে কাজে গিয়ে দুপুরে ফিরেছিল। আমি মাকে বাড়িতে রেখে বিকেলে ভ্যান চালাতে গিয়েছিলাম। মা সুস্থ ছিল। আমার সঙ্গে কথা বলেছে। রাতে মনিরামপুর বাজারে থাকতেই ফোনে শুনি, আমার মা বেঁচে নেই। তড়িঘড়ি বাড়ি এসে দেখি, মায়ের লাশ বারান্দায় শোয়ানো। থুতনির নিচে কাটা দাগ, রক্ত বের হয়ে আছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে
৮ মিনিট আগে
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ করে শ্যামপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতেন। এঁদের মধ্যে মোহাম্মদ ফোরকানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে। অন্যদিকে ইমরান শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।
১১ মিনিট আগে
অভিযানকালে শটগানের ১৭টি গুলি, চায়না রাইফেলের ৩টি গুলি, ৫ কেজি ১৮০ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ৬৮৩টি ইয়াবা, ২ দশমিক ০৪ গ্রাম ইয়াবা ট্যাবলেটের গুঁড়া,৯টি মোবাইল ফোন সেট এবং নগদ ২ লাখ ৮০ হাজার ৪৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার গারদে বসে আজমেরী ওসমানের পক্ষে ১০ অনুসারীর ভিডিও বার্তা এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তারের পর আসামিদের হাতে মোবাইল ফোন কীভাবে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে...
১ ঘণ্টা আগে