চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের চৌগাছার কাবিলপুর গ্রামের ভারতীয় সীমান্তবর্তী নো-ম্যানস ল্যান্ডের কপোতাক্ষ নদে ভাসমান অবস্থায় পচা দুর্গন্ধযুক্ত অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির (৪০) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অন্তত দুই তিন দিন আগেই তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা। আজ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে মরদেহটি নদ থেকে উদ্ধার করে চৌগাছা থানায় নিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ভারতীয় বিএসএফ বা স্থানীয় কেউ তাঁকে হত্যা করে নদে ভাসিয়ে দিয়েছেন। অথবা মেরে অন্য কোথাও রেখে দিয়েছিলেন। পরে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় নদে ভাসিয়ে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে দশপাকিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) নুর উন নবী বলেন, চৌগাছার কাবিলপুর মাঠ এবং ভারতের লক্ষ্মীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঝদিয়ে প্রবাহিত কপোতাক্ষ নদে একটি অজ্ঞাত লাশ ভেসে রয়েছে বলে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ চৌগাছার শাহাজাদপুর বিজিবি ক্যাম্পে সংবাদ দেয়। পরে বিজিবি এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌগাছা পুলিশকে সংবাদ দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নদে প্রায় তিন কিলোমিটার ভাসিয়ে মরদেহটি কাবিলপুর গ্রামে নিয়ে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় উদ্ধার ব্যক্তির ট্রাউজারের পকেট থেকে বাংলাদেশি টাকার কয়েকটি নোট, একটি গ্যাস লাইটার উদ্ধার হয়।
মরদেহ উদ্ধারের পর চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব সরকার সুরতহাল প্রতিবেদন করেন। তিনি বলেন, ‘লাশটি অজ্ঞাত হলেও সেটি মুসলিম লাশ। ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সবুজ বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চৌগাছার কাবিলপুর ভারতীয় সীমান্তবর্তী নো-ম্যানস ল্যান্ডের জিরো লাইনে কপোতাক্ষ নদে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

যশোরের চৌগাছার কাবিলপুর গ্রামের ভারতীয় সীমান্তবর্তী নো-ম্যানস ল্যান্ডের কপোতাক্ষ নদে ভাসমান অবস্থায় পচা দুর্গন্ধযুক্ত অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির (৪০) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অন্তত দুই তিন দিন আগেই তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা। আজ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে মরদেহটি নদ থেকে উদ্ধার করে চৌগাছা থানায় নিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ভারতীয় বিএসএফ বা স্থানীয় কেউ তাঁকে হত্যা করে নদে ভাসিয়ে দিয়েছেন। অথবা মেরে অন্য কোথাও রেখে দিয়েছিলেন। পরে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় নদে ভাসিয়ে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে দশপাকিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) নুর উন নবী বলেন, চৌগাছার কাবিলপুর মাঠ এবং ভারতের লক্ষ্মীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঝদিয়ে প্রবাহিত কপোতাক্ষ নদে একটি অজ্ঞাত লাশ ভেসে রয়েছে বলে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ চৌগাছার শাহাজাদপুর বিজিবি ক্যাম্পে সংবাদ দেয়। পরে বিজিবি এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌগাছা পুলিশকে সংবাদ দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নদে প্রায় তিন কিলোমিটার ভাসিয়ে মরদেহটি কাবিলপুর গ্রামে নিয়ে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় উদ্ধার ব্যক্তির ট্রাউজারের পকেট থেকে বাংলাদেশি টাকার কয়েকটি নোট, একটি গ্যাস লাইটার উদ্ধার হয়।
মরদেহ উদ্ধারের পর চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব সরকার সুরতহাল প্রতিবেদন করেন। তিনি বলেন, ‘লাশটি অজ্ঞাত হলেও সেটি মুসলিম লাশ। ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সবুজ বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চৌগাছার কাবিলপুর ভারতীয় সীমান্তবর্তী নো-ম্যানস ল্যান্ডের জিরো লাইনে কপোতাক্ষ নদে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে