যশোর প্রতিনিধি

যশোর জেলা বিএনপির সম্মেলন ২২ ফেব্রুয়ারি। ইতিমধ্যেই সম্মেলন বাস্তবায়নে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সম্মেলন ঘিরে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন তাঁরা। প্রতিদিনই হচ্ছে প্রচার মিছিল। মঞ্চ নির্মাণ, সাজসজ্জার প্রস্তুতিও এগিয়ে চলেছে পুরোদমে।
ইতিমধ্যে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের তিনটি পদে ৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হতে চলেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
তফসিল ঘোষণার আগে আলোচনায় ছিল কঠিন সময়ে দলকে ধরে রাখার পুরস্কার হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হতে যাচ্ছেন আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম। কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোয় পাল্টে গেছে সমীকরণ। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নেওয়া চারজনের মধ্যে তিন প্রার্থী উঠে এসেছেন সভাপতির লড়াইয়ে। ফলে সাধারণ সম্পাদক পদের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ায় একমাত্র প্রার্থী হিসেবে যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন নির্বাচিত হতে চলেছেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত প্রার্থী তালিকা অনুসারে সভাপতি পদে দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও যশোর চেম্বারের সভাপতি মিজানুর রহমান খান এবং যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি মারুফুল ইসলাম মারুফ প্রার্থী হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের আহ্বায়ক মো. ইসহক জানান, মোট ১ হাজার ৬১৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রদানের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য তাঁদের নেতা নির্বাচন করবেন। তবে ইতিমধ্যে সাধারণ সম্পাদক পদে এক প্রার্থী হওয়ায় দেলোয়ার হোসেন খোকনের বিজয় সুনিশ্চিত। শুধু ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র।

যশোর জেলা বিএনপির সম্মেলন ২২ ফেব্রুয়ারি। ইতিমধ্যেই সম্মেলন বাস্তবায়নে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সম্মেলন ঘিরে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন তাঁরা। প্রতিদিনই হচ্ছে প্রচার মিছিল। মঞ্চ নির্মাণ, সাজসজ্জার প্রস্তুতিও এগিয়ে চলেছে পুরোদমে।
ইতিমধ্যে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের তিনটি পদে ৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হতে চলেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
তফসিল ঘোষণার আগে আলোচনায় ছিল কঠিন সময়ে দলকে ধরে রাখার পুরস্কার হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হতে যাচ্ছেন আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম। কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোয় পাল্টে গেছে সমীকরণ। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নেওয়া চারজনের মধ্যে তিন প্রার্থী উঠে এসেছেন সভাপতির লড়াইয়ে। ফলে সাধারণ সম্পাদক পদের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ায় একমাত্র প্রার্থী হিসেবে যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন নির্বাচিত হতে চলেছেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত প্রার্থী তালিকা অনুসারে সভাপতি পদে দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও যশোর চেম্বারের সভাপতি মিজানুর রহমান খান এবং যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি মারুফুল ইসলাম মারুফ প্রার্থী হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের আহ্বায়ক মো. ইসহক জানান, মোট ১ হাজার ৬১৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রদানের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য তাঁদের নেতা নির্বাচন করবেন। তবে ইতিমধ্যে সাধারণ সম্পাদক পদে এক প্রার্থী হওয়ায় দেলোয়ার হোসেন খোকনের বিজয় সুনিশ্চিত। শুধু ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে