প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৪৯। আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল।
ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৩৫ শতাংশ।
নতুন শনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলার ৪১ জন, বানিয়াচংয়ের ২২ জন, বাহুবলের ৩ জন, চুনারুঘাটের ১৪ জন, নবীগঞ্জের ২২ জন, মাধবপুরে ১৮ জন, লাখাইর ৬ জন ও আজমিরীগঞ্জে ২ জন।
মোট আক্রান্তের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫৯৩ জন। এ ছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৫ জন।

হবিগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৪৯। আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল।
ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৩৫ শতাংশ।
নতুন শনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলার ৪১ জন, বানিয়াচংয়ের ২২ জন, বাহুবলের ৩ জন, চুনারুঘাটের ১৪ জন, নবীগঞ্জের ২২ জন, মাধবপুরে ১৮ জন, লাখাইর ৬ জন ও আজমিরীগঞ্জে ২ জন।
মোট আক্রান্তের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫৯৩ জন। এ ছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৫ জন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে