গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বাসা থেকে বের হয়ে গোপালগঞ্জে মিকাইল ইসলাম টুটুল নামে এক ব্যক্তি দুই দিন ধরে নিখোঁজের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল (মঙ্গলবার) তাঁর স্ত্রী মৌ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
এর আগে গত সোমবার (২৬ জুন) শহরের ব্যাংকপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি বের হয়ে যান। এরপর গত দুই দিন তিনি আর বাসায় ফেরেননি।
নিখোঁজ মিকাইল ইসলাম টুটুল কোটালীপাড়া উপজেলার হীরন ইউনিয়নের আজাহার আলী সিকদারের ছেলে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা যায়, মিকাইল ইসলাম টুটুল (৫০) সোমবার (২৬ জুন) বেলা ৩টার দিকে শহরের বাসা থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে বের হয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করে গত দুই দিন তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে সোমবার সদর থানায় তাঁর স্ত্রী একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সাধারণ ডায়েরি নম্বর ১২২১।
তাঁর স্ত্রী মৌ আজকের পত্রিকাকে জানান, ঘটনার দিন তাঁর স্বামী মোবাইল ফোন রেখে কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান। রাত হয়ে গেলেও তিনি বাসায় ফিরে না আসায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তিনি। পরে বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মৌ আরও জানান, টুটুল ডায়াবেটিস, লো প্রেসারসহ একাধিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। দীর্ঘ ২৩ বছরের বৈবাহিক জীবনে এমন ধরনের ঘটনা কখনো ঘটেনি। তাঁর কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা আছে কি না তাঁর জানা নেই।
গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শিতল চন্দ্র পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরিবারের সঙ্গে মনোমালিন্য চলছিল মিকাইল ইসলাম টুটুলের। এ কারণে আত্মগোপনে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে মিকাইল ইসলামের অবস্থান নির্ণয়ের অনুসন্ধান চলছে।’

বাসা থেকে বের হয়ে গোপালগঞ্জে মিকাইল ইসলাম টুটুল নামে এক ব্যক্তি দুই দিন ধরে নিখোঁজের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল (মঙ্গলবার) তাঁর স্ত্রী মৌ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
এর আগে গত সোমবার (২৬ জুন) শহরের ব্যাংকপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি বের হয়ে যান। এরপর গত দুই দিন তিনি আর বাসায় ফেরেননি।
নিখোঁজ মিকাইল ইসলাম টুটুল কোটালীপাড়া উপজেলার হীরন ইউনিয়নের আজাহার আলী সিকদারের ছেলে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা যায়, মিকাইল ইসলাম টুটুল (৫০) সোমবার (২৬ জুন) বেলা ৩টার দিকে শহরের বাসা থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে বের হয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করে গত দুই দিন তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে সোমবার সদর থানায় তাঁর স্ত্রী একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সাধারণ ডায়েরি নম্বর ১২২১।
তাঁর স্ত্রী মৌ আজকের পত্রিকাকে জানান, ঘটনার দিন তাঁর স্বামী মোবাইল ফোন রেখে কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান। রাত হয়ে গেলেও তিনি বাসায় ফিরে না আসায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তিনি। পরে বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মৌ আরও জানান, টুটুল ডায়াবেটিস, লো প্রেসারসহ একাধিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। দীর্ঘ ২৩ বছরের বৈবাহিক জীবনে এমন ধরনের ঘটনা কখনো ঘটেনি। তাঁর কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা আছে কি না তাঁর জানা নেই।
গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শিতল চন্দ্র পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরিবারের সঙ্গে মনোমালিন্য চলছিল মিকাইল ইসলাম টুটুলের। এ কারণে আত্মগোপনে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে মিকাইল ইসলামের অবস্থান নির্ণয়ের অনুসন্ধান চলছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে