জাবেরুল ইসলাম বাঁধন, গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জে হস্তান্তর হওয়ার পর সাড়ে পাঁচ বছর কেটে গেলেও পরিপূর্ণভাবে চালু হয়নি ট্রমা সেন্টারের কার্যক্রম। ধার করে আনা মাত্র দুজন সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়ে কোনো রকমে চালু রাখা হয়েছে বহির্বিভাগ। এখানে চিকিৎসকসহ ১৪ জন জনবল দেওয়ার কথা থাকলেও নিয়োগ হয়েছে মাত্র একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। নষ্ট হচ্ছে এক্স-রে মেশিনসহ অস্ত্রোপচার কক্ষের যন্ত্রপাতি। কয়েকবার ঘটেছে চুরির ঘটনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনা বা আঘাতের রোগীদের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা দিতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে ঘোনাপাড়ায় ১ একর জায়গার ওপর নির্মাণ করা হয় গোপালগঞ্জ ২০ শয্যাবিশিষ্ট ট্রমা সেন্টার, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে পঙ্গু হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত। ২০১২ সালে নেওয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য গণপূর্ত বিভাগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয় ২০১৪ সালের মার্চে। মেয়াদ ছিল ৬ মাস। এরপর মেয়াদ বৃদ্ধি হয় ছয় দফা, আর প্রকল্পের পরিচালক পরিবর্তন হয় চারবার। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণকাজ শেষ হলেও হস্তান্তর করা হয় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে।
এখানে চিকিৎসা নিতে আসা রহিমা বেগমের নামের একজন বলেন, ‘ট্রমা সেন্টার থেকে আমাদের জ্বর, মাথাব্যথা, পাতলা পায়খানাসহ ছোটখাটো কিছু রোগের জন্য ওষুধ দেওয়া হয়। আর কোনো চিকিৎসা এখানে হয় না। সাধারণ রোগের কোনো ওষুধ লাগলে এখন আমরা ট্রমা সেন্টারে আসি।’
স্থানীয় বাসিন্দা মো. গোলাম আজম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই ট্রমা সেন্টার তৈরি হয়ে আছে; কিন্তু এখানো চালু করতে পারেনি। শুধু গ্যাসের বড়ি, মাথাব্যথার বড়ি, জ্বরের বড়ি দেওয়া হয়। ট্রমা সেন্টার কি এ জন্যই তৈরি করা হয়েছে? আমরা এলাকাবাসী একেবারেই এর সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। সরকারের লাখ লাখ টাকা খরচ করে যা করা হইছে, এর প্রতিদান আমরা কিছুই পাই না।’
পাশের চা বিক্রেতা বাবর আলী মুন্সী বলেন, ‘পঙ্গু হাসপাতাল হওয়ার পর এখানে অনেকবার চুরি হইছে। চালু না করায় এসব সমস্যা হইছে। হাত-পা ভাঙলে আমাদের খুলনা, না হয় ঢাকা পাঠায়ে দেয়। কিন্তু আমরা গরিব মানুষ, আমাদের কি ঢাকা বা খুলনা গিয়ে চিকিৎসা করানো সম্ভব? এ জন্য গরিব মানুষের কথা চিন্তা করে দ্রুত পঙ্গু হাসপাতাল চালুর ব্যবস্থা করা হোক।’
এ নিয়ে কথা হলে প্রকল্প পরিচালক (সর্বশেষ ও সাবেক) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুতই মূল নির্মাণকাজ শেষ হয় এবং ২০২০ সালে মূল ভবনটি হস্তান্তর করা হয়। এখানে দুজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ ১৪টি পদে নিয়োগের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় সে সময় চালু করা সম্ভব হয়নি ট্রমা সেন্টারের কার্যক্রম।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘ট্রমা সেন্টারটি চালু করার জন্য কয়েক দফা মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটিতে একজন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি এখান থেকে বদলি হয়ে চলে গেছেন। তাই সেন্টারটি চালু রাখার জন্য দুজন সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়ে শুধু বহির্বিভাগ চালু রাখা হয়েছে। আশা করি, দ্রুত জনবল নিয়োগ হলেই এ সমস্যার সমাধান হবে।’

গোপালগঞ্জে হস্তান্তর হওয়ার পর সাড়ে পাঁচ বছর কেটে গেলেও পরিপূর্ণভাবে চালু হয়নি ট্রমা সেন্টারের কার্যক্রম। ধার করে আনা মাত্র দুজন সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়ে কোনো রকমে চালু রাখা হয়েছে বহির্বিভাগ। এখানে চিকিৎসকসহ ১৪ জন জনবল দেওয়ার কথা থাকলেও নিয়োগ হয়েছে মাত্র একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। নষ্ট হচ্ছে এক্স-রে মেশিনসহ অস্ত্রোপচার কক্ষের যন্ত্রপাতি। কয়েকবার ঘটেছে চুরির ঘটনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনা বা আঘাতের রোগীদের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা দিতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে ঘোনাপাড়ায় ১ একর জায়গার ওপর নির্মাণ করা হয় গোপালগঞ্জ ২০ শয্যাবিশিষ্ট ট্রমা সেন্টার, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে পঙ্গু হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত। ২০১২ সালে নেওয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য গণপূর্ত বিভাগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয় ২০১৪ সালের মার্চে। মেয়াদ ছিল ৬ মাস। এরপর মেয়াদ বৃদ্ধি হয় ছয় দফা, আর প্রকল্পের পরিচালক পরিবর্তন হয় চারবার। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণকাজ শেষ হলেও হস্তান্তর করা হয় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে।
এখানে চিকিৎসা নিতে আসা রহিমা বেগমের নামের একজন বলেন, ‘ট্রমা সেন্টার থেকে আমাদের জ্বর, মাথাব্যথা, পাতলা পায়খানাসহ ছোটখাটো কিছু রোগের জন্য ওষুধ দেওয়া হয়। আর কোনো চিকিৎসা এখানে হয় না। সাধারণ রোগের কোনো ওষুধ লাগলে এখন আমরা ট্রমা সেন্টারে আসি।’
স্থানীয় বাসিন্দা মো. গোলাম আজম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই ট্রমা সেন্টার তৈরি হয়ে আছে; কিন্তু এখানো চালু করতে পারেনি। শুধু গ্যাসের বড়ি, মাথাব্যথার বড়ি, জ্বরের বড়ি দেওয়া হয়। ট্রমা সেন্টার কি এ জন্যই তৈরি করা হয়েছে? আমরা এলাকাবাসী একেবারেই এর সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। সরকারের লাখ লাখ টাকা খরচ করে যা করা হইছে, এর প্রতিদান আমরা কিছুই পাই না।’
পাশের চা বিক্রেতা বাবর আলী মুন্সী বলেন, ‘পঙ্গু হাসপাতাল হওয়ার পর এখানে অনেকবার চুরি হইছে। চালু না করায় এসব সমস্যা হইছে। হাত-পা ভাঙলে আমাদের খুলনা, না হয় ঢাকা পাঠায়ে দেয়। কিন্তু আমরা গরিব মানুষ, আমাদের কি ঢাকা বা খুলনা গিয়ে চিকিৎসা করানো সম্ভব? এ জন্য গরিব মানুষের কথা চিন্তা করে দ্রুত পঙ্গু হাসপাতাল চালুর ব্যবস্থা করা হোক।’
এ নিয়ে কথা হলে প্রকল্প পরিচালক (সর্বশেষ ও সাবেক) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুতই মূল নির্মাণকাজ শেষ হয় এবং ২০২০ সালে মূল ভবনটি হস্তান্তর করা হয়। এখানে দুজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ ১৪টি পদে নিয়োগের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় সে সময় চালু করা সম্ভব হয়নি ট্রমা সেন্টারের কার্যক্রম।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘ট্রমা সেন্টারটি চালু করার জন্য কয়েক দফা মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটিতে একজন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি এখান থেকে বদলি হয়ে চলে গেছেন। তাই সেন্টারটি চালু রাখার জন্য দুজন সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়ে শুধু বহির্বিভাগ চালু রাখা হয়েছে। আশা করি, দ্রুত জনবল নিয়োগ হলেই এ সমস্যার সমাধান হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে