
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ইউনিয়নে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।
আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ডিলার মেসার্স জায়েদ ট্রেডার্স ট্রাক সেলের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য বিক্রি করে।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে সরকারের বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে টিসিবি সাশ্রয়ী দামে ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল, ছোলা ও খেজুর বিক্রি করছে।
টিসিবির ট্রাক থেকে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি ছোলা, এক কেজি চিনি এবং আধা কেজি খেজুর কিনতে পারছেন। এর মধ্যে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম রাখা হচ্ছে ১১৫ টাকা। প্রতি কেজি চিনি ৮০ টাকা, মসুর ডাল ৭০, ছোলা ৬০ ও খেজুরের দাম ১৬০ টাকা।
হরিদাসপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম শেখ বলেন, ‘বাজারের তুলনায় এখানে অনেক কম দামে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। আমি দুই লিটার তেল, এক কেজি চিনি, দুই কেজি ডাল, এক কেজি ছোলা ও আধা কেজি খেজুর নিয়েছি। সব মিলিয়ে ৫৯০ টাকা খরচ হয়েছে। এতে আমাদের পরিবারের বেশ সাশ্রয় হচ্ছে।’
ডিলার মেসার্স জায়েদ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজকে আমরা ৪০০ পরিবারকে নির্ধারিত দামে এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় পণ্য বিক্রি করছি। যাতে প্রকৃত নিম্নআয়ের মানুষ উপকৃত হয়, সে জন্য পরিচয় যাচাই করে পণ্য দেওয়া হচ্ছে।’

ভোলায় পৃথক দুটি অভিযানে দুজনকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়েছে। যার মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা। গতকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন ভোলা সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত লাল মিয়ার ছেলে মো. রাজিব হোসেন
২৮ মিনিট আগে
খাইরুল ইসলাম দুধ ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিকর জেলি, সয়াবিন তেলসহ নানা উপকরণ দিয়ে ভেজাল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এসব ভেজাল দুধ তিনি দেশের বিভিন্ন চিলিং সেন্টারে সরবরাহ করতেন।
৩০ মিনিট আগে
ইলিশের পোনা জাটকা সংরক্ষণে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস নিষেধাজ্ঞার সময় জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকা জেলেদের জন্য বিগত বছরগুলোতে ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) কর্মসূচির আওতায় ৪ মাসের জন্য ৪০ কেজি করে মোট ১৬০ কেজি চাল খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছিলো সরকার। তবে এবার চাঁদপুরের জাটকা প্রবণ এলাকার সাড়ে ৮ হাজার জেলেকে চালে
১ ঘণ্টা আগে
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি গোলাম হোসেন ও তাঁর সহযোগীরা ধান কাটতে বাধা দিচ্ছেন। পাশাপাশি ভূমিহীনদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে তাঁরা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে ভোগান্তিও
১ ঘণ্টা আগে