টঙ্গী প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীতে টিকা নিতে এসে মারধরের ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটার দিকে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, সিনিয়র সেবিকা রিপা আক্তার, সুরাইয়া আক্তার, শাহিনা আক্তার রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবী নাদিম আহাম্মদ, সিফাত হোসেন, ইউছুফ ও সুমন।
জানা যায়, সকালে হাসপাতালে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ টিকা নিতে আসেন। দীর্ঘ সময় তাঁরা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে তাঁরা। এরই একপর্যায়ে টিকার মজুত শেষ নেই এমন ঘোষণা এলে নারী পুরুষেরা হাসপাতালের কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। পরে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় টিকা নিতে আসা নারী পুরুষেরা ওই সাতজনকে মারধর করলে তাঁরা আহত হন। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে সেবিকারা জানান, আজ কয়েক হাজার নারী ও পুরুষ টিকা নিতে এসেছেন। তারা হঠাৎ করেই টিকাদানকারী স্বেচ্ছাসেবী কর্মীদের মারধর করে আহত করেছেন।
টিকা নিতে আসা কয়েকজন বলেন, আমরা সকাল থেকে টিকা নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু লাইন ভেঙে অনেকে টিকা দিয়ে চলে যাচ্ছে। দুপুরের আগেই টিকা নেই এমন ঘোষণা দেওয়া হলে বিশৃঙ্খলা বাধে।
হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পারভেজ হোসেন বলেন, টিকা নিতে আসা নারী ও পুরুষেরা ধাক্কাধাক্কি করেন এতে হাসপাতালে সেবিকা ও রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবীরা আহত হয়েছেন।
শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, টিকা মজুতের তুলনায় গ্রহীতার সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে। তবে টিকা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শনিবার থেকে সবাইকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাসুদ বলেন, টিকা কেন্দ্রে পুলিশ রয়েছে। প্রায় এক ঘণ্টা পর ফের টিকা কেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়।

গাজীপুরের টঙ্গীতে টিকা নিতে এসে মারধরের ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটার দিকে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, সিনিয়র সেবিকা রিপা আক্তার, সুরাইয়া আক্তার, শাহিনা আক্তার রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবী নাদিম আহাম্মদ, সিফাত হোসেন, ইউছুফ ও সুমন।
জানা যায়, সকালে হাসপাতালে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ টিকা নিতে আসেন। দীর্ঘ সময় তাঁরা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে তাঁরা। এরই একপর্যায়ে টিকার মজুত শেষ নেই এমন ঘোষণা এলে নারী পুরুষেরা হাসপাতালের কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। পরে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় টিকা নিতে আসা নারী পুরুষেরা ওই সাতজনকে মারধর করলে তাঁরা আহত হন। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে সেবিকারা জানান, আজ কয়েক হাজার নারী ও পুরুষ টিকা নিতে এসেছেন। তারা হঠাৎ করেই টিকাদানকারী স্বেচ্ছাসেবী কর্মীদের মারধর করে আহত করেছেন।
টিকা নিতে আসা কয়েকজন বলেন, আমরা সকাল থেকে টিকা নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু লাইন ভেঙে অনেকে টিকা দিয়ে চলে যাচ্ছে। দুপুরের আগেই টিকা নেই এমন ঘোষণা দেওয়া হলে বিশৃঙ্খলা বাধে।
হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পারভেজ হোসেন বলেন, টিকা নিতে আসা নারী ও পুরুষেরা ধাক্কাধাক্কি করেন এতে হাসপাতালে সেবিকা ও রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবীরা আহত হয়েছেন।
শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, টিকা মজুতের তুলনায় গ্রহীতার সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে। তবে টিকা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শনিবার থেকে সবাইকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাসুদ বলেন, টিকা কেন্দ্রে পুলিশ রয়েছে। প্রায় এক ঘণ্টা পর ফের টিকা কেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে