গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মহানগরীর মালেকের বাড়ি এলাকায় টিঅ্যান্ডজেড অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানার শ্রমিকেরা এখনো মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে অবরোধ শুরু করেন তাঁরা।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ ও শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস ধরে এই কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ করছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন-ভাতার বিষয়টি সুরাহা করছে না। ফলে কয়েক দিন পর পর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকেরা। ফলে এই মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী এবং পরিবহন চালকদের প্রায় সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
সূত্র আর জানায়, অবরোধের কারণে শনিবার দিনভর (সকাল-সন্ধ্যা) ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ আছে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উভয় দিকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের দিকে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তারা শ্রমিকদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেও তাদের মহাসড়ক থেকে সরে যেতে রাজি করাতে পারেননি।

সূত্রটি জানায়, গাজীপুর মহানগরীর মালেকের বাড়ি এলাকায় টিএন্ডজেড অ্যাপারেলস লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ভাতা না দিয়ে কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ করে রেখেছে। ওই গ্রুপের ৬টি কারখানার সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে।
এ নিয়ে শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরেই তাদের পাওনা বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে আসছিল। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ কারণে শনিবার সকালে শ্রমিকরা কারখানার সামনে জড়ো হয়ে প্রথমে তারা বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তারা মালেকের বাড়ির কলম্বিয়া মোড় এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ, মহানগর পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।
আন্দোলনেরত শ্রমিকরা বলেন, গত এপ্রিল মাস থেকে কারখানা বন্ধ ছিল। পরে কারখানা খুললেও দুই মাসের বেতন না দিয়ে কর্তৃপক্ষ টালবাহানা শুরু করে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বারবার বেতন পরিশোধের তারিখ দিলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেনি।
কারখানার শ্রমিক আবুল কালাম বলেন, ‘মালিকপক্ষ আমাদের পাওয়া বেতন না দিয়েই কারখানা বন্ধ রেখেছে। আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই বকেয়া পরিশোধের দাবিতে আন্দোলন করছি। আমাদের দাবি মেনে নিলে মহাসড়ক ছেড়ে দিব।’
তবে এ বিষয়ে চেষ্টা করেও টিঅ্যান্ডজেড অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘টিঅ্যান্ডজেড কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে। আমরা মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা সামাধানের চেষ্টা করছি। যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।’
গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান বলেন, শিল্প পুলিশ ও মহানগর পুলিশ, সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে রয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বেতন সংক্রান্ত সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) নাজির আহমেদ বলেন, ‘সকাল থেকে এ পর্যন্ত ১০-১২ বার শ্রমিকদের সঙ্গে আমরা দফায় দফায় আলোচনা করেছি। মালিক পক্ষের সাথে আলোচনা করে দ্রুত তাদের বকেয়া বেতন আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অতীতে মালিকপক্ষ কথা রাখেনি-এমন অভিযোগ তুলে শ্রমিকরা প্রথমে বলেছিল দুপুর ২টায় অবরোধ তুলে নেবে, পরে বলেছিল বিকেল ৫টায় অবরোধ তুলে নিবে। কিন্তু তারা অবরোধ তুলে নেয় নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শ্রমিকেরা এখন বলছে, রাত ১০টায় অবরোধ তুলে নেবে। তারপরও আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু তারা কোনো আশ্বাস মানতে রাজি হচ্ছে না। ফলে মহাসড়কের যানজট নিরসন করা সম্ভব হচ্ছে না।’
তিনি আরও বলেন, এ সমস্যাটি সমাধানের জন্য বিজিএমইএ এগিয়ে আসতে পারে। মালিকপক্ষ পুরো বেতন দিতে না পারলেও আংশিক পরিশোধ করলেও শ্রমিকরা হয়তো মেনে নিত।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘শ্রমিকদের পাশাপাশি এখন ঘটনাস্থলের উভয় পাশে আটকে পড়া যানবাহনের চালক, হেলপার, যাত্রী, পথচারী এবং বিভিন্ন কারখানা শ্রমিকরা জড়ো হয়েছে। আমরা আশা করছি, আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।’

গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মহানগরীর মালেকের বাড়ি এলাকায় টিঅ্যান্ডজেড অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানার শ্রমিকেরা এখনো মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে অবরোধ শুরু করেন তাঁরা।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ ও শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস ধরে এই কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ করছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন-ভাতার বিষয়টি সুরাহা করছে না। ফলে কয়েক দিন পর পর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকেরা। ফলে এই মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী এবং পরিবহন চালকদের প্রায় সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
সূত্র আর জানায়, অবরোধের কারণে শনিবার দিনভর (সকাল-সন্ধ্যা) ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ আছে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উভয় দিকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের দিকে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তারা শ্রমিকদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেও তাদের মহাসড়ক থেকে সরে যেতে রাজি করাতে পারেননি।

সূত্রটি জানায়, গাজীপুর মহানগরীর মালেকের বাড়ি এলাকায় টিএন্ডজেড অ্যাপারেলস লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ভাতা না দিয়ে কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ করে রেখেছে। ওই গ্রুপের ৬টি কারখানার সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে।
এ নিয়ে শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরেই তাদের পাওনা বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে আসছিল। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ কারণে শনিবার সকালে শ্রমিকরা কারখানার সামনে জড়ো হয়ে প্রথমে তারা বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তারা মালেকের বাড়ির কলম্বিয়া মোড় এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ, মহানগর পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।
আন্দোলনেরত শ্রমিকরা বলেন, গত এপ্রিল মাস থেকে কারখানা বন্ধ ছিল। পরে কারখানা খুললেও দুই মাসের বেতন না দিয়ে কর্তৃপক্ষ টালবাহানা শুরু করে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বারবার বেতন পরিশোধের তারিখ দিলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেনি।
কারখানার শ্রমিক আবুল কালাম বলেন, ‘মালিকপক্ষ আমাদের পাওয়া বেতন না দিয়েই কারখানা বন্ধ রেখেছে। আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই বকেয়া পরিশোধের দাবিতে আন্দোলন করছি। আমাদের দাবি মেনে নিলে মহাসড়ক ছেড়ে দিব।’
তবে এ বিষয়ে চেষ্টা করেও টিঅ্যান্ডজেড অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘টিঅ্যান্ডজেড কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে। আমরা মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা সামাধানের চেষ্টা করছি। যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।’
গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান বলেন, শিল্প পুলিশ ও মহানগর পুলিশ, সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে রয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বেতন সংক্রান্ত সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) নাজির আহমেদ বলেন, ‘সকাল থেকে এ পর্যন্ত ১০-১২ বার শ্রমিকদের সঙ্গে আমরা দফায় দফায় আলোচনা করেছি। মালিক পক্ষের সাথে আলোচনা করে দ্রুত তাদের বকেয়া বেতন আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অতীতে মালিকপক্ষ কথা রাখেনি-এমন অভিযোগ তুলে শ্রমিকরা প্রথমে বলেছিল দুপুর ২টায় অবরোধ তুলে নেবে, পরে বলেছিল বিকেল ৫টায় অবরোধ তুলে নিবে। কিন্তু তারা অবরোধ তুলে নেয় নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শ্রমিকেরা এখন বলছে, রাত ১০টায় অবরোধ তুলে নেবে। তারপরও আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু তারা কোনো আশ্বাস মানতে রাজি হচ্ছে না। ফলে মহাসড়কের যানজট নিরসন করা সম্ভব হচ্ছে না।’
তিনি আরও বলেন, এ সমস্যাটি সমাধানের জন্য বিজিএমইএ এগিয়ে আসতে পারে। মালিকপক্ষ পুরো বেতন দিতে না পারলেও আংশিক পরিশোধ করলেও শ্রমিকরা হয়তো মেনে নিত।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘শ্রমিকদের পাশাপাশি এখন ঘটনাস্থলের উভয় পাশে আটকে পড়া যানবাহনের চালক, হেলপার, যাত্রী, পথচারী এবং বিভিন্ন কারখানা শ্রমিকরা জড়ো হয়েছে। আমরা আশা করছি, আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে