গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরীর সদরের তিন সড়ক এলাকার একটি কারখানার শ্রমিকেরা বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে গতকাল বুধবার সকালে সড়ক অবরোধ করে। বিষয়টি গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নজরে এলে তিনি সমাধানের আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নেয়। কিন্তু গতকাল রাতের মধ্যে এর সমাধান না পেয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে শত শত শ্রমিক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে হাজির হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তাঁর প্রতিনিধি এনডিসি মোস্তফা আব্দুল্লাহ নুর এবং সহকারী কমিশনার ও সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শোয়েব শাত ইল ইভান শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা উভয়ে শ্রমিকদের বলেন, শ্রমিকদের সমস্যাটি সমাধানের জন্য আজ বিকেলে জেলা ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটির জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে শ্রমিক প্রতিনিধি ও মালিকপক্ষ উপস্থিত থাকবে। সেখানে বিষয়টি সমাধান করা হবে।
এ সময় কয়েকজন শ্রমিক বলেন, আগেও এ ধরনের আলোচনা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি। এ সময় ওই দুই কর্মকর্তা তাঁদের আশ্বস্ত করেন, এবার আর আগের মতো হবে না। আজকের সভার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। তাঁরা যেন একটু অপেক্ষা করেন।
বিকেলে সভা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন জানিয়ে শ্রমিকেরা বলেন, মহানগরীর সদর থানার তিন সড়ক এলাকায় স্টাইলক্রাফট নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানায় তিন হাজারের মতো শ্রমিক কাজ করে। মালিকপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে কারখানাটিতে কয়েক মাস পরপর বেতন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।
তাঁরা বলেন, মালিক পক্ষের কাছে জুন-জুলাইয়ের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পাওনা রয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ জুলাই কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে মালিক পক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের সমঝোতা চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ১ আগস্ট তাঁদের বেতন পরিশোধ করার কথা। কিন্তু মালিক পক্ষ ১ তারিখে বেতন পরিশোধ না করে কারখানা থেকে চলে যায়। বকেয়া না পেয়ে ১ আগস্ট শ্রমিকেরা অসন্তুষ্ট হয়ে বাড়ি ফিরে যায়।
কিন্তু গতকাল বুধবার সকালে কারখানায় কাজে গিয়ে শ্রমিকেরা গেটে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেখতে পায়। বকেয়া পরিশোধ না করে কিছু না জানিয়ে রাতে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেখে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা আন্দোলনে নামে। তারা ঢাকা-জয়দেবপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এ কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও পথচারীরা। পরে মহানগর ও শিল্প পুলিশ সেখানে যায়।
কারখানার লতা সাবিনা, মল্লিকাসহ কয়েকজন শ্রমিক অভিযোগ করেন, তিন মাসের বেতন বকেয়া থাকায় বাড়ি ভাড়া ও খাবারের টাকা পরিশোধ করতে তাঁদের সমস্যা হচ্ছে। এ অবস্থায় অনেকে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই অবিলম্বে বেতন ভাতা পরিশোধে সরকার ও প্রশাসনের সহযোগিতা চাইছেন শ্রমিকেরা।
শিল্প পুলিশের পরিদর্শক মো. রেজাউল করিম বলেন, মালিক পক্ষ পাওনা পরিশোধ না করে কারখানা ছয় দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। গতকাল বুধবার সকালে শ্রমিকেরা কাজে যোগদান করতে গিয়ে বন্ধের নোটিশ দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলনে নামে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জিএমপির সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, গতকাল বুধবার সকালে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক মহোদয়। সে অনুযায়ী বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

গাজীপুর মহানগরীর সদরের তিন সড়ক এলাকার একটি কারখানার শ্রমিকেরা বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে গতকাল বুধবার সকালে সড়ক অবরোধ করে। বিষয়টি গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নজরে এলে তিনি সমাধানের আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নেয়। কিন্তু গতকাল রাতের মধ্যে এর সমাধান না পেয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে শত শত শ্রমিক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে হাজির হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তাঁর প্রতিনিধি এনডিসি মোস্তফা আব্দুল্লাহ নুর এবং সহকারী কমিশনার ও সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শোয়েব শাত ইল ইভান শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা উভয়ে শ্রমিকদের বলেন, শ্রমিকদের সমস্যাটি সমাধানের জন্য আজ বিকেলে জেলা ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটির জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে শ্রমিক প্রতিনিধি ও মালিকপক্ষ উপস্থিত থাকবে। সেখানে বিষয়টি সমাধান করা হবে।
এ সময় কয়েকজন শ্রমিক বলেন, আগেও এ ধরনের আলোচনা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি। এ সময় ওই দুই কর্মকর্তা তাঁদের আশ্বস্ত করেন, এবার আর আগের মতো হবে না। আজকের সভার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। তাঁরা যেন একটু অপেক্ষা করেন।
বিকেলে সভা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন জানিয়ে শ্রমিকেরা বলেন, মহানগরীর সদর থানার তিন সড়ক এলাকায় স্টাইলক্রাফট নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানায় তিন হাজারের মতো শ্রমিক কাজ করে। মালিকপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে কারখানাটিতে কয়েক মাস পরপর বেতন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।
তাঁরা বলেন, মালিক পক্ষের কাছে জুন-জুলাইয়ের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পাওনা রয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ জুলাই কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে মালিক পক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের সমঝোতা চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ১ আগস্ট তাঁদের বেতন পরিশোধ করার কথা। কিন্তু মালিক পক্ষ ১ তারিখে বেতন পরিশোধ না করে কারখানা থেকে চলে যায়। বকেয়া না পেয়ে ১ আগস্ট শ্রমিকেরা অসন্তুষ্ট হয়ে বাড়ি ফিরে যায়।
কিন্তু গতকাল বুধবার সকালে কারখানায় কাজে গিয়ে শ্রমিকেরা গেটে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেখতে পায়। বকেয়া পরিশোধ না করে কিছু না জানিয়ে রাতে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেখে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা আন্দোলনে নামে। তারা ঢাকা-জয়দেবপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এ কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও পথচারীরা। পরে মহানগর ও শিল্প পুলিশ সেখানে যায়।
কারখানার লতা সাবিনা, মল্লিকাসহ কয়েকজন শ্রমিক অভিযোগ করেন, তিন মাসের বেতন বকেয়া থাকায় বাড়ি ভাড়া ও খাবারের টাকা পরিশোধ করতে তাঁদের সমস্যা হচ্ছে। এ অবস্থায় অনেকে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই অবিলম্বে বেতন ভাতা পরিশোধে সরকার ও প্রশাসনের সহযোগিতা চাইছেন শ্রমিকেরা।
শিল্প পুলিশের পরিদর্শক মো. রেজাউল করিম বলেন, মালিক পক্ষ পাওনা পরিশোধ না করে কারখানা ছয় দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। গতকাল বুধবার সকালে শ্রমিকেরা কাজে যোগদান করতে গিয়ে বন্ধের নোটিশ দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলনে নামে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জিএমপির সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, গতকাল বুধবার সকালে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক মহোদয়। সে অনুযায়ী বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে