শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে সাপের কামড়ে মোছা. রিমা আক্তার (২৩) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের সোনাব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত রিমা আক্তার উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের সোনাব গ্রামের মো. ফিরোজ আহমেদের মেয়ে।
মৃতের পরিবার বলছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টিভেনম থাকলে হয়তো রিমাকে বাঁচানো যেত। এ ছাড়া সাপে কাটার পর ওঝার কাছে গিয়ে ঝাড়ফুঁক করে সময় নষ্ট করায় তাদের ভুল হয়েছে বলে তারা স্বীকার করে।
মৃতের চাচা মানিক মিয়া বলেন, রাত ২টার দিকে ভাতিজি রিমা আক্তারের হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়। কোনো কিছু কামড় দিয়েছে বলে চিৎকার করে সে। এরপর যথারীতি আবার শুয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর আবারও কিছু একটার কামড়ে ব্যথা হচ্ছে বলে ডাক-চিৎকার দেয়। এরপর পাশের ঘর থেকে আমার ভাতিজা দৌড়ে গিয়ে ঘরের লাইট দিলে বিছানায় সাপ দেখতে পায়। আলো পড়ার পরপরই সাপটি চলে যেতে থাকে। এ সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। এ সময় দেখা যায়, ভাতিজি রিমার হাতে দুটি সাপের কামড়। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এখানে সাপের কামড়ের কোনো চিকিৎসা নেই। এরপর স্বজনদের পরামর্শে নয়নপুর এলাকায় এক ওঝার কাছে নিয়ে গেলে ঘণ্টাখানেক ঝাড়ফুঁক করে জানান, তাঁর পক্ষে বিষ খোলা সম্ভব নয়। এরপর গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিমাকে মৃত ঘোষণা করেন।’ তিনি জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা থাকলে এমন হতো না। তা ছাড়া আরও একটি ভুল হয়েছে, ওঝার কাছে নিয়ে সময়ক্ষেপণ করা। এ জন্য ভাতিজিকে বাঁচানো যায়নি।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা কমপ্লেক্সগুলোতে সাধারণত অ্যান্টিভেনম থাকে না। তবুও রাখার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ‘বিষয়টি ইতিমধ্যে অবগত হয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে সাপের কামড়ে মোছা. রিমা আক্তার (২৩) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের সোনাব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত রিমা আক্তার উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের সোনাব গ্রামের মো. ফিরোজ আহমেদের মেয়ে।
মৃতের পরিবার বলছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টিভেনম থাকলে হয়তো রিমাকে বাঁচানো যেত। এ ছাড়া সাপে কাটার পর ওঝার কাছে গিয়ে ঝাড়ফুঁক করে সময় নষ্ট করায় তাদের ভুল হয়েছে বলে তারা স্বীকার করে।
মৃতের চাচা মানিক মিয়া বলেন, রাত ২টার দিকে ভাতিজি রিমা আক্তারের হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়। কোনো কিছু কামড় দিয়েছে বলে চিৎকার করে সে। এরপর যথারীতি আবার শুয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর আবারও কিছু একটার কামড়ে ব্যথা হচ্ছে বলে ডাক-চিৎকার দেয়। এরপর পাশের ঘর থেকে আমার ভাতিজা দৌড়ে গিয়ে ঘরের লাইট দিলে বিছানায় সাপ দেখতে পায়। আলো পড়ার পরপরই সাপটি চলে যেতে থাকে। এ সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। এ সময় দেখা যায়, ভাতিজি রিমার হাতে দুটি সাপের কামড়। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এখানে সাপের কামড়ের কোনো চিকিৎসা নেই। এরপর স্বজনদের পরামর্শে নয়নপুর এলাকায় এক ওঝার কাছে নিয়ে গেলে ঘণ্টাখানেক ঝাড়ফুঁক করে জানান, তাঁর পক্ষে বিষ খোলা সম্ভব নয়। এরপর গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিমাকে মৃত ঘোষণা করেন।’ তিনি জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা থাকলে এমন হতো না। তা ছাড়া আরও একটি ভুল হয়েছে, ওঝার কাছে নিয়ে সময়ক্ষেপণ করা। এ জন্য ভাতিজিকে বাঁচানো যায়নি।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা কমপ্লেক্সগুলোতে সাধারণত অ্যান্টিভেনম থাকে না। তবুও রাখার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ‘বিষয়টি ইতিমধ্যে অবগত হয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
২১ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে