পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিদ্যুতায়িত হয়ে ফেরদৌস মণ্ডল (৪৫) নামে এক পশু চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের আমলাগাছী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফেরদৌস ওই গ্রামের সাদা মণ্ডলের ছেলে।
মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য রহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, আজ দুপুরে বাড়ি পাশে নিজ বৈদ্যুতিক সেচ পাম্পে সংযোগ দিতে যান ডা. ফেরদৌস। এ সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। তাঁকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. ফেরদৌসকে মৃত ঘোষণা করেন।
বরিশাল ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিদ্যুতায়িত হয়ে ফেরদৌস মণ্ডল (৪৫) নামে এক পশু চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের আমলাগাছী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফেরদৌস ওই গ্রামের সাদা মণ্ডলের ছেলে।
মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য রহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, আজ দুপুরে বাড়ি পাশে নিজ বৈদ্যুতিক সেচ পাম্পে সংযোগ দিতে যান ডা. ফেরদৌস। এ সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। তাঁকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. ফেরদৌসকে মৃত ঘোষণা করেন।
বরিশাল ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে