গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য নিতে গিয়ে এক ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন মোজাহিদ ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি—স্ত্রীর নামে টিসিবির কার্ডের পণ্য নিতে গিয়ে ৬ নম্বর রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদে এই হামলার শিকার হন তিনি। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হলেন ৬ নম্বর রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন। ঘটনাটি ঘটে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে।
ভুক্তভোগী মোজাহিদের অভিযোগ—চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন হঠাৎ তাঁর ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালান। এ সময় চেয়ারম্যান তাঁকে কিল-ঘুষ মারতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পরিষদ থেকে বের করে দেন। পরে তাঁকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান।
এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বেশ কিছু লোকজনকে বের করে দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে মোজাহিদকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিচ্ছেন।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোজাহিদ আজকের পত্রিকাকে জানান, গতকাল সকাল থেকেই রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদে টিসিবির কার্ডের পণ্য দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু বেলা ৩টার দিকে শেষ ৫০-৫৫ জন কার্ডধারীকে পণ্য দিতে সময়ক্ষেপণ করেন টিসিবির সংশ্লিষ্ট ডিলার। পরে চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন ও সংশ্লিষ্ট ডিলারের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। কিন্তু অপেক্ষা করেও বিকেল ৫টা পর্যন্ত পণ্য পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে উপস্থিত কার্ডধারীদের মাঝে হইচই শুরু হয়। এতেই চেয়ারম্যান মোসাব্বির ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি গতকাল ৪টা পর্যন্ত উপজেলায় ছিলাম। উপজেলা থেকে বাড়িতে এসে পরনের কাপড় খুলতেই এক মেম্বার আমাকে মোবাইল ফোনে জানায় মোজাহিদ নামে এক ব্যক্তি টিসিবির পণ্য নিতে ঝামেলা করছে। টিসিবির পণ্য দেওয়ার নির্ধারিত সময় ৪টা পর্যন্ত থাকলেও তিনি সাড়ে ৪টার দিকে পরিষদে আসেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ঝামেলা এড়াতে মোজাহিদের কাছে টিসিবির কার্ডে সই নিয়ে পণ্য দেওয়ার জন্য ডিলারের লোকজনকে বলি। তখন মোজাহিদের কাছে কার্ড চাইলে, তিনি কার্ড ছাড়াই তাঁর সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজনসহ ২০ জনের পণ্য দাবি করে। একপর্যায়ে পরিষদের লোকজনসহ ডিলারের লোকজনের ওপর হামলা করার জন্য তেড়ে যান তাঁরা।’
চেয়ারম্যান মোসাব্বির বলেন, ‘পরে আমি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য মোজাহিদসহ লোকজনকে পরিষদ থেকে দিয়ে বের করে দিই। এ সময় তার সাঙ্গপাঙ্গরা সেটি ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়।’
ওই সময় মোজাহিদকে পরিষদ থেকে বের করে না করে দিলে ডিলারের পণ্যসহ টাকাপয়সা ছিনতাই হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য নিতে গিয়ে এক ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন মোজাহিদ ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি—স্ত্রীর নামে টিসিবির কার্ডের পণ্য নিতে গিয়ে ৬ নম্বর রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদে এই হামলার শিকার হন তিনি। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হলেন ৬ নম্বর রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন। ঘটনাটি ঘটে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে।
ভুক্তভোগী মোজাহিদের অভিযোগ—চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন হঠাৎ তাঁর ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালান। এ সময় চেয়ারম্যান তাঁকে কিল-ঘুষ মারতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পরিষদ থেকে বের করে দেন। পরে তাঁকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান।
এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বেশ কিছু লোকজনকে বের করে দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে মোজাহিদকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিচ্ছেন।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোজাহিদ আজকের পত্রিকাকে জানান, গতকাল সকাল থেকেই রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদে টিসিবির কার্ডের পণ্য দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু বেলা ৩টার দিকে শেষ ৫০-৫৫ জন কার্ডধারীকে পণ্য দিতে সময়ক্ষেপণ করেন টিসিবির সংশ্লিষ্ট ডিলার। পরে চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন ও সংশ্লিষ্ট ডিলারের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। কিন্তু অপেক্ষা করেও বিকেল ৫টা পর্যন্ত পণ্য পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে উপস্থিত কার্ডধারীদের মাঝে হইচই শুরু হয়। এতেই চেয়ারম্যান মোসাব্বির ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি গতকাল ৪টা পর্যন্ত উপজেলায় ছিলাম। উপজেলা থেকে বাড়িতে এসে পরনের কাপড় খুলতেই এক মেম্বার আমাকে মোবাইল ফোনে জানায় মোজাহিদ নামে এক ব্যক্তি টিসিবির পণ্য নিতে ঝামেলা করছে। টিসিবির পণ্য দেওয়ার নির্ধারিত সময় ৪টা পর্যন্ত থাকলেও তিনি সাড়ে ৪টার দিকে পরিষদে আসেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ঝামেলা এড়াতে মোজাহিদের কাছে টিসিবির কার্ডে সই নিয়ে পণ্য দেওয়ার জন্য ডিলারের লোকজনকে বলি। তখন মোজাহিদের কাছে কার্ড চাইলে, তিনি কার্ড ছাড়াই তাঁর সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজনসহ ২০ জনের পণ্য দাবি করে। একপর্যায়ে পরিষদের লোকজনসহ ডিলারের লোকজনের ওপর হামলা করার জন্য তেড়ে যান তাঁরা।’
চেয়ারম্যান মোসাব্বির বলেন, ‘পরে আমি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য মোজাহিদসহ লোকজনকে পরিষদ থেকে দিয়ে বের করে দিই। এ সময় তার সাঙ্গপাঙ্গরা সেটি ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়।’
ওই সময় মোজাহিদকে পরিষদ থেকে বের করে না করে দিলে ডিলারের পণ্যসহ টাকাপয়সা ছিনতাই হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে