ফেনী প্রতিনিধি

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে সাত বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে সে দেশের পুলিশ। তাঁরা ইউরোপের দেশ বুলগেরিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফেনীর পরশুরাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে।
গত শনিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ত্রিপুরা রাজ্যের বিলোনিয়া থানার পীরাগড়ি ক্যাম্প এলাকায় ভারতীয় পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। তবে এখনো বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানায়নি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)–এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা নিজস্ব সূত্রে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। তবে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। জানালে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রেপ্তার বাংলাদেশিরা হলেন—গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সুনাম উদ্দিনের ছেলে রবিন হোসাইন (২৮), নওগাঁ জেলার পত্নীতলার রঘুনাথ গ্রামের আবু জাফরের ছেলে মো. রাফি (২৫), ফেনীর পরশুরাম উপজেলার নিজকালিকাপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে এমদাদ হোসাইন (২৭), একই উপজেলার উত্তর গুথুমা গ্রামের আহমদের ছেলে সাইদুর জামান (২৮), নরসিংদী জেলার রায়পুর উপজেলার চরসুবুদ্ধি গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে ফয়সাল (২৪), চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার গাজরা গ্রামের ফারুক মোল্লার ছেলে রায়হান মোল্লা (২১) ও ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার ফয়েজ আহমদের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৩৫)।
কয়েকজনের স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা সবাই বুলগেরিয়ার ভিসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ভারতে যান এবং দিল্লি যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার হন। তাঁদের কোনো বৈধ ভিসা বা কাগজপত্র না থাকায় ভারতীয় পুলিশ অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক করে বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার একজনের স্বজন জানান, পরশুরামের একটি দালালচক্র দিল্লি পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছিল। পথে পুলিশের জেরার মুখে কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাঁরা আটক হন। বর্তমানে ভারতে থাকা আত্মীয়দের মাধ্যমে তাঁদের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে সাত বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে সে দেশের পুলিশ। তাঁরা ইউরোপের দেশ বুলগেরিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফেনীর পরশুরাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে।
গত শনিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ত্রিপুরা রাজ্যের বিলোনিয়া থানার পীরাগড়ি ক্যাম্প এলাকায় ভারতীয় পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। তবে এখনো বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানায়নি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)–এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা নিজস্ব সূত্রে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। তবে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। জানালে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রেপ্তার বাংলাদেশিরা হলেন—গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সুনাম উদ্দিনের ছেলে রবিন হোসাইন (২৮), নওগাঁ জেলার পত্নীতলার রঘুনাথ গ্রামের আবু জাফরের ছেলে মো. রাফি (২৫), ফেনীর পরশুরাম উপজেলার নিজকালিকাপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে এমদাদ হোসাইন (২৭), একই উপজেলার উত্তর গুথুমা গ্রামের আহমদের ছেলে সাইদুর জামান (২৮), নরসিংদী জেলার রায়পুর উপজেলার চরসুবুদ্ধি গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে ফয়সাল (২৪), চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার গাজরা গ্রামের ফারুক মোল্লার ছেলে রায়হান মোল্লা (২১) ও ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার ফয়েজ আহমদের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৩৫)।
কয়েকজনের স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা সবাই বুলগেরিয়ার ভিসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ভারতে যান এবং দিল্লি যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার হন। তাঁদের কোনো বৈধ ভিসা বা কাগজপত্র না থাকায় ভারতীয় পুলিশ অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক করে বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার একজনের স্বজন জানান, পরশুরামের একটি দালালচক্র দিল্লি পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছিল। পথে পুলিশের জেরার মুখে কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাঁরা আটক হন। বর্তমানে ভারতে থাকা আত্মীয়দের মাধ্যমে তাঁদের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
২০ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৮ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩৫ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৪১ মিনিট আগে