
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা বালুভর্তি ট্রাকে নাবিল পরিবহনের একটি কোচের ধাক্কায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও আটজন। শনিবার (১৪ জুন) ভোর সোয়া ৩টার দিকে উপজেলার নুরজাহানপুর এলাকায় দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘোড়াঘাট উপজেলা ফায়ার সার্ভিস, থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, মহাসড়কের পাশে থেমে থাকা একটি বালুবোঝাই ট্রাকে পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নাবিল পরিবহনের একটি কোচ (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৭২৭৭) পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে কোচের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
নিহত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দা তামান্না আক্তার (২৭), চালকের সহকারী আমিনুল (৪০) নওগাঁর এবং রাজীব ভূঁইয়া (৩০)।
ঘোড়াঘাট ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর আতাউর রহমান বলেন, ’দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ভোর ৩টা ২০ মিনিটে আমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। তিনজনকে মৃত অবস্থায় পাই এবং বাকিদের হাসপাতালে পাঠাই। সেখানে আরও দুজন মারা যান।’
আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
১ ঘণ্টা আগে