
দিনাজপুরে মধ্যরাতে পাঁচ মিনিটের ঝড়ে গাছপালাসহ বাড়ি-ঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় সড়কে গাছ ভেঙে পড়ে সড়কযোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে। এ ছাড়া গাছের ডাল বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পড়ে ও তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়েছে অনেক জায়গা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্যসূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত ১টা ৪৬ মিনিট থেকে ১টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী এই ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার।
ঝড়ে দিনাজপুর-বোচাগঞ্জ ও দিনাজপুর-কাহারোল উপজেলা সড়কে গাছ পড়ে সড়কযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভোর থেকেই ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন ইউনিট সড়ক থেকে গাছ অপসারণের কাজ শুরু করে।
দিনাজপুর শহরে ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানের গাছপালারও অনেক ক্ষতি হয়েছে। জেলা প্রশাসন চত্বর ও সামনের সড়কে থাকা বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেটের তার ছিঁড়ে যাওয়ায় ইন্টারনেট নেটওয়ার্কও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। মোবাইল ফোনের নেটওয়র্কেও বিঘ্ন ঘটছে।
তবে ঝড়ে কাঁচা ও টিনের ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হলেও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঝড়ে বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে এবং গাছ ভেঙে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে পড়ায় দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
দিনাজপুর পিডিবি কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝড়ে শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সচল রাখার জন্য কাজ শুরু হয়েছে।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ জানান, আচমকা ঝড়ের কারণে দিনাজপুর শহরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় গাছপালা, কাঁচা ঘরবাড়ি ও উঠতি ফসলের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
১ ঘণ্টা আগে