দিনাজপুরের কাহারোলে মধ্যরাতে ধানবোঝাই একটি ট্রাকে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রোববার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কাহারোল-বীরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের মোহাম্মদপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাতে ট্রাকের ইঞ্জিনসহ ৩০ বস্তা ধান পুড়ে গেছে।
ট্রাকচালকের সহকারী ইমরান হোসেন (২৪) বলেন, পঞ্চগড়ের হাঁড়িভাসা এলাকায় ধান লোড করে সন্ধ্যার পর রওনা করি। রাত দেড়টার দিকে মোহাম্মদপুর প্রাইমারি স্কুলের সামনে চারটি মোটরসাইকেলে ছয় ব্যক্তি গাড়ির গতিরোধ করে। প্রথমে গাড়ির সামনের গ্লাসে ইট ছোড়েন। এ সময় চালক লিটন মিয়া (৩৮) গাড়ি থেকে নামলে ধাক্কাধাক্কি করতে থাকেন। একপর্যায়ে গাড়িতে আগুন জ্বলে ওঠে। তাতে ৩০-৪০টার মতো ধানের বস্তা পুড়ে গেছে।
গাড়িচালক লিটন মিয়া বলেন, দুর্বৃত্তরা ছয়জন ছিল। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকেও ট্রাকে জ্বলতে থাকা আগুনে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাহারোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ট্রাকে আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে সেখানে যাই। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ট্রাকটি এখন পুলিশি হেফাজতে কাহারোল থানায় রয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটক করার চেষ্টা চলছে।’

নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে বগুড়ায় চালু করা হয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) মহিলা বাস সার্ভিস। তবে চালুর এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রত্যাশিত যাত্রী পাচ্ছে না বাস দুটি। দিনের বেশির ভাগ সময়ই ৪৫ আসনের বাসে অল্পসংখ্যক যাত্রী দেখা যায়।
৫ ঘণ্টা আগে
সাগরে বড় জাহাজ থেকে তেল খালাস করে সরাসরি ডিপোতে আনার জন্য নির্মাণ করা হয় সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন (এসপিএম)। কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে বঙ্গোপসাগরের তলদেশ দিয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ডিপো পর্যন্ত টানা হয়েছে ১১০ কিলোমিটার লম্বা এই পাইপলাইন। এই প্রকল্পে ব্যয় করা হয় ৮ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
জনবসতিহীন এলাকায় একটি পরিত্যক্ত মুরগির খামার। সেখানে প্রতিদিন জড়ো হচ্ছে শিশু-কিশোর, প্রাপ্তবয়স্করা। টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বয়সী মানুষের কাছ থেকে নেওয়া হয় পাসপোর্টের ছবি, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ও ফেস ভেরিফিকেশন। দিনশেষে এসব তথ্য পাচার হয় বিদেশে।
৬ ঘণ্টা আগে
বর্ষা মৌসুম শেষ হয়েছে দেড় মাস আগে। কিন্তু সেই বর্ষার পানি নিষ্কাশন হতে না পারায় শরতের শেষ সময়ে এসেও যশোরের দুঃখখ্যাত ভবদহ অঞ্চলের অন্তত ২০০ গ্রাম জলাবদ্ধ রয়েছে। বর্ষকাল থেকে শুরু করে তিন মাস ধরে এসব গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী জীবনযাপন করছে।
৭ ঘণ্টা আগে