ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দিনাজপুরগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ভুট্টাবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন মারা গেছেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোর ৫টায় ফুলবাড়ী-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ব্রহ্মচারী নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ঢাকা-দিনাজপুরগামী এসআর ট্রাভেলসের চালক মো. হাকিম (৩৫) ও গার্মেন্টসকর্মী মো. আশিক আলী (২৩)। নিহত হাকিম সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাটকদি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আর আশিক আলী দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার নওদাপাড়া (ডাঙাপাড়া) গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে। তিনি বাসযাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ফুলবাড়ী পৌর এলাকার উত্তর সুজাপুর গ্রামের গহীর মন্ডলের ছেলে গফুর (৪৬) এবং পার্বতীপুর উপজেলার আমবাড়ী (শিবরামপুর) গ্রামের সাজেদুর রহমানের ছেলে ইয়াসিন আরাফাত। গফুর গুরুতর আহত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, ঢাকা-দিনাজপুরগামী এসআর ট্রাভেলসের যাত্রীবাহী বাসটি দিনাজপুরে যাওয়ার পথে ফুলবাড়ীর ব্রহ্মচারী নামক স্থানে অপরদিক থেকে আসা ভুট্টাবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। পরে খবর পেয়ে থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক বাসচালক এবং ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. আশ্রাফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ট্রাকচালক ও চালকের সহকারী পলাতক।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দিনাজপুরগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ভুট্টাবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন মারা গেছেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোর ৫টায় ফুলবাড়ী-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ব্রহ্মচারী নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ঢাকা-দিনাজপুরগামী এসআর ট্রাভেলসের চালক মো. হাকিম (৩৫) ও গার্মেন্টসকর্মী মো. আশিক আলী (২৩)। নিহত হাকিম সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাটকদি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আর আশিক আলী দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার নওদাপাড়া (ডাঙাপাড়া) গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে। তিনি বাসযাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ফুলবাড়ী পৌর এলাকার উত্তর সুজাপুর গ্রামের গহীর মন্ডলের ছেলে গফুর (৪৬) এবং পার্বতীপুর উপজেলার আমবাড়ী (শিবরামপুর) গ্রামের সাজেদুর রহমানের ছেলে ইয়াসিন আরাফাত। গফুর গুরুতর আহত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, ঢাকা-দিনাজপুরগামী এসআর ট্রাভেলসের যাত্রীবাহী বাসটি দিনাজপুরে যাওয়ার পথে ফুলবাড়ীর ব্রহ্মচারী নামক স্থানে অপরদিক থেকে আসা ভুট্টাবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। পরে খবর পেয়ে থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক বাসচালক এবং ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. আশ্রাফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ট্রাকচালক ও চালকের সহকারী পলাতক।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে