ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে চাল-আটাকে ছড়িয়ে গেছে গমের ভুসির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি বস্তা ভুসির দাম ১০০ থেকে ১১০ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
বর্তমানে পৌর শহরের বাজারে প্রতি কেজি ভুসি ৫৭ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ চিকন চাল প্রতি কেজি ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা এবং প্রতি কেজি আটার প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়।
পৌর শহরের ফিড ব্যবসায়ী হিমেল মণ্ডল বলেন, ‘ভুসিসহ সব ধরনের গোখাদ্যের দাম বেড়েছে। ব্র্যান্ডভেদে প্রতি কেজি ভুসি ৫৮ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।’
চাল ব্যবসায়ী সমির চন্দ্র ও রতন চক্রবর্তী জানান, প্রতি কেজি চিকন চাল প্রকারভেদে ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা এবং মোটা চাল ৩৬ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। আর মুদি দোকানি আহম্মেদ আলী বলেন, বর্তমানে প্যাকেটের আটা প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
সরেজমিনে ফুলবাড়ী পৌর শহরের চমক ফিড, মন্ডল ফিডসহ বেশ কয়েকটি গোখাদ্যের দোকানে গিয়ে দেখা যায় ক্রেতা নেই। ব্যবসায়ী হিমেল মণ্ডল ও মোক্তার হোসেন বলেন, ভুসি ও ফিডের দাম বেশি। এখন বেচাকেনা কমে গেছে। খরচ অনুযায়ী দুধের দামও কম। এ কারণে খামারিরা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কম গোখাদ্য কিনছেন।
ফুলবাড়ী ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম জাকারিয়া বলেন, ‘গোখাদ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে করে গরু পালন করা আর সম্ভব হবে না। আমার চারটি গাভি আছে। প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকার খাদ্য খাওয়াতে হয়। সঙ্গে অন্যান্য খরচ আছে। বর্তমানে চারটি গাভির দুধ হয় ৩৫ থেকে ৩৭ লিটার। প্রতি লিটার দুধ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে।’ ভারতে গম রপ্তানি বন্ধ করার খবরে ভুসির দাম বাড়ানো হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন উপজেলার খামারিরা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘প্রাণিখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ঘাস চাষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে দুটি করে প্রদর্শনী প্লট তৈরি করা হবে। দুইজন খামারিকে বীজ এবং চারজনকে ঘাস সংরক্ষণের প্রযুক্তি দেওয়া হবে।’

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে চাল-আটাকে ছড়িয়ে গেছে গমের ভুসির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি বস্তা ভুসির দাম ১০০ থেকে ১১০ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
বর্তমানে পৌর শহরের বাজারে প্রতি কেজি ভুসি ৫৭ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ চিকন চাল প্রতি কেজি ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা এবং প্রতি কেজি আটার প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়।
পৌর শহরের ফিড ব্যবসায়ী হিমেল মণ্ডল বলেন, ‘ভুসিসহ সব ধরনের গোখাদ্যের দাম বেড়েছে। ব্র্যান্ডভেদে প্রতি কেজি ভুসি ৫৮ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।’
চাল ব্যবসায়ী সমির চন্দ্র ও রতন চক্রবর্তী জানান, প্রতি কেজি চিকন চাল প্রকারভেদে ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা এবং মোটা চাল ৩৬ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। আর মুদি দোকানি আহম্মেদ আলী বলেন, বর্তমানে প্যাকেটের আটা প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
সরেজমিনে ফুলবাড়ী পৌর শহরের চমক ফিড, মন্ডল ফিডসহ বেশ কয়েকটি গোখাদ্যের দোকানে গিয়ে দেখা যায় ক্রেতা নেই। ব্যবসায়ী হিমেল মণ্ডল ও মোক্তার হোসেন বলেন, ভুসি ও ফিডের দাম বেশি। এখন বেচাকেনা কমে গেছে। খরচ অনুযায়ী দুধের দামও কম। এ কারণে খামারিরা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কম গোখাদ্য কিনছেন।
ফুলবাড়ী ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম জাকারিয়া বলেন, ‘গোখাদ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে করে গরু পালন করা আর সম্ভব হবে না। আমার চারটি গাভি আছে। প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকার খাদ্য খাওয়াতে হয়। সঙ্গে অন্যান্য খরচ আছে। বর্তমানে চারটি গাভির দুধ হয় ৩৫ থেকে ৩৭ লিটার। প্রতি লিটার দুধ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে।’ ভারতে গম রপ্তানি বন্ধ করার খবরে ভুসির দাম বাড়ানো হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন উপজেলার খামারিরা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘প্রাণিখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ঘাস চাষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে দুটি করে প্রদর্শনী প্লট তৈরি করা হবে। দুইজন খামারিকে বীজ এবং চারজনকে ঘাস সংরক্ষণের প্রযুক্তি দেওয়া হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে