নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নাশকতার পাঁচ মামলায় বিএনপি-জামায়াতের ৭৭ নেতা কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভিন্ন ভিন্ন বিচারক এই রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে দু-একজন ছাড়া সবাই পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তারা গ্রেপ্তার হওয়ার পর এই রায় কার্যকর হবে।
অন্যদিকে বিভিন্ন আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, আসামিদের মধ্যে ইতিপূর্বে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে এই রায় কার্যকর হবে না।
আজকের রায়ে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুসহ রয়েছেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ সহকারীরা এসব রায়ের বিষয় নিশ্চিত করেন।
তেজগাঁও থানার মামলায় ১৪ বিএনপি নেতা কর্মীদের কারাদণ্ড
১০ বছর আগে তেজগাঁও থানায় করা নাশকতার মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ ১৪ বিএনপি নেতা কর্মীকে আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসেন এই রায় দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন ঢাকা সিটির সাবেক কাউন্সিলর মো. আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ, তেজগাঁও থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, রাজ, সেলিম, কবির, শফিজুর রহমান শাফিজ যুবদল নেতা জালাল, শ্রমিক দল নেতা, শাহ আলম, আব্দুল জলিল, ইউসুফ হোসেন মিন্টু, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু ও ছাত্রদল নেতা ঝন্টু।
মামলার সূত্রে জানা যায়, সরকারের পদত্যাগের দাবিতে নাশকতার অভিযোগে ২০১৩ সালের নভেম্বরে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।
শাহজাহানপুর থানার মামলায় বিএনপি নেতা মজনুসহ ১২ নেতা কর্মীকে কারাদণ্ড
২০১৮ সালে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় নাশকতার অভিযোগে করা এক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুসহ বিএনপির ১২ নেতা কর্মীকে আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অন্য পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসেন এই রায় দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা আহসান হাবিব হীরা, আবদুল্লাহ জামান আদিত্য চৌধুরী, আলমগীর হোসেন আজাদ প্রমুখ।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে নাশকতার অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহজানপুর থানায় এ মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।
বনানী থানার মামলায় বিএনপির ২০ নেতা কর্মীর কারাদণ্ড
২০১৮ সালে রাজধানীর বনানী থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ২০ নেতা কর্মীকে দুই ধারায় একবছর নয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অপর এক আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক। কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. মিজানুর রহমান, শাহজাহান সরকার, মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আল মামুন, হাজী সৈয়দ আহমেদ মনজুর হোসেন, মো. ইমাম হোসেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, নাশকতার অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এ মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।
ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলায় ১৮ জনের কারাদণ্ড
২০১৮ সালে ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা এক মামলায় বিএনপির ১৮ নেতা কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এই রায় দেন। আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তারেকুল রাজ্জাক, ল্যাংড়া মহিবুল্লাহ, মো. পারভেজ ও শামসুল আলম বকুল।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় ২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কোনো পূর্বানুমতি ছাড়া মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রসহ বিএনপির নেতা কর্মীরা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটায় বেআইনি সমাবেশ করে, পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধার সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।
মতিঝিলের মামলায় ১৩ জনের কারাদণ্ড
২০১১ সালে মতিঝিল থানায় দায়ের করা নাশকতার এক মামলায় ১৩ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ।
১৩ জনের প্রত্যেককে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১৩ জন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্থানীয় নেতা কর্মী বলে জানা গেছে।

নাশকতার পাঁচ মামলায় বিএনপি-জামায়াতের ৭৭ নেতা কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভিন্ন ভিন্ন বিচারক এই রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে দু-একজন ছাড়া সবাই পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তারা গ্রেপ্তার হওয়ার পর এই রায় কার্যকর হবে।
অন্যদিকে বিভিন্ন আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, আসামিদের মধ্যে ইতিপূর্বে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে এই রায় কার্যকর হবে না।
আজকের রায়ে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুসহ রয়েছেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ সহকারীরা এসব রায়ের বিষয় নিশ্চিত করেন।
তেজগাঁও থানার মামলায় ১৪ বিএনপি নেতা কর্মীদের কারাদণ্ড
১০ বছর আগে তেজগাঁও থানায় করা নাশকতার মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ ১৪ বিএনপি নেতা কর্মীকে আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসেন এই রায় দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন ঢাকা সিটির সাবেক কাউন্সিলর মো. আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ, তেজগাঁও থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, রাজ, সেলিম, কবির, শফিজুর রহমান শাফিজ যুবদল নেতা জালাল, শ্রমিক দল নেতা, শাহ আলম, আব্দুল জলিল, ইউসুফ হোসেন মিন্টু, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু ও ছাত্রদল নেতা ঝন্টু।
মামলার সূত্রে জানা যায়, সরকারের পদত্যাগের দাবিতে নাশকতার অভিযোগে ২০১৩ সালের নভেম্বরে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।
শাহজাহানপুর থানার মামলায় বিএনপি নেতা মজনুসহ ১২ নেতা কর্মীকে কারাদণ্ড
২০১৮ সালে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় নাশকতার অভিযোগে করা এক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুসহ বিএনপির ১২ নেতা কর্মীকে আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অন্য পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসেন এই রায় দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা আহসান হাবিব হীরা, আবদুল্লাহ জামান আদিত্য চৌধুরী, আলমগীর হোসেন আজাদ প্রমুখ।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে নাশকতার অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহজানপুর থানায় এ মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।
বনানী থানার মামলায় বিএনপির ২০ নেতা কর্মীর কারাদণ্ড
২০১৮ সালে রাজধানীর বনানী থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ২০ নেতা কর্মীকে দুই ধারায় একবছর নয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অপর এক আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক। কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. মিজানুর রহমান, শাহজাহান সরকার, মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আল মামুন, হাজী সৈয়দ আহমেদ মনজুর হোসেন, মো. ইমাম হোসেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, নাশকতার অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এ মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।
ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলায় ১৮ জনের কারাদণ্ড
২০১৮ সালে ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা এক মামলায় বিএনপির ১৮ নেতা কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এই রায় দেন। আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তারেকুল রাজ্জাক, ল্যাংড়া মহিবুল্লাহ, মো. পারভেজ ও শামসুল আলম বকুল।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় ২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কোনো পূর্বানুমতি ছাড়া মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রসহ বিএনপির নেতা কর্মীরা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটায় বেআইনি সমাবেশ করে, পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধার সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।
মতিঝিলের মামলায় ১৩ জনের কারাদণ্ড
২০১১ সালে মতিঝিল থানায় দায়ের করা নাশকতার এক মামলায় ১৩ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ।
১৩ জনের প্রত্যেককে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১৩ জন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্থানীয় নেতা কর্মী বলে জানা গেছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে