নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোয়া চার কেজি সোনাসহ গ্রেপ্তার মাহিন উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শুক্রবার ঢাকার মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুই দিনের রিমান্ড শেষে মাহিনকে আদালতে হাজির করে বিমানবন্দর থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাহিনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার জন্য আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মর্মে আসামি স্বীকার করেন। তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামি মাহিনকে আদালত তাঁর খাসকামরায় নেন। কিন্তু আসামি খাস কামরায় গিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে অস্বীকার করেন। পরে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ২৭ জুলাই মাহিনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এর আগে ২৬ জুলাই বিকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে কর্মরত কাস্টমস কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ থেকে কুমিল্লা জেলার মাহিন উদ্দিনকে আটক করে। মাহিন বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৌদি আরব থেকে ঢাকায় আসছিলেন। পরবর্তীতে ওই যাত্রীকে গ্রিন চ্যানেলে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাশি করা হয়। পরে যাত্রীর সঙ্গে থাকা কালো রঙের একটি হ্যান্ড ব্যাগের ভেতর থেকে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৩৭ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত এসব স্বর্ণের ওজন ৪ কেজি ২৯২ গ্রাম। যার বাজার মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা। এ ঘটনায় ওইদিন রাতে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়।
উল্লেখ্য মাহিন উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি কাস্টমস কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন সৌদি আরবে কিং খালেদ ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরে তাকে কুমিল্লা সদরে জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তি এই ব্যাগটা দেন। ঢাকায় আসার পরে কেউ একজন তার কাছ থেকে ব্যাগটা নিয়ে নেবেন বলে জাকির হোসেন জানিয়েছিলেন।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোয়া চার কেজি সোনাসহ গ্রেপ্তার মাহিন উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শুক্রবার ঢাকার মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুই দিনের রিমান্ড শেষে মাহিনকে আদালতে হাজির করে বিমানবন্দর থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাহিনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার জন্য আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মর্মে আসামি স্বীকার করেন। তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামি মাহিনকে আদালত তাঁর খাসকামরায় নেন। কিন্তু আসামি খাস কামরায় গিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে অস্বীকার করেন। পরে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ২৭ জুলাই মাহিনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এর আগে ২৬ জুলাই বিকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে কর্মরত কাস্টমস কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ থেকে কুমিল্লা জেলার মাহিন উদ্দিনকে আটক করে। মাহিন বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৌদি আরব থেকে ঢাকায় আসছিলেন। পরবর্তীতে ওই যাত্রীকে গ্রিন চ্যানেলে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাশি করা হয়। পরে যাত্রীর সঙ্গে থাকা কালো রঙের একটি হ্যান্ড ব্যাগের ভেতর থেকে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৩৭ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত এসব স্বর্ণের ওজন ৪ কেজি ২৯২ গ্রাম। যার বাজার মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা। এ ঘটনায় ওইদিন রাতে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়।
উল্লেখ্য মাহিন উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি কাস্টমস কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন সৌদি আরবে কিং খালেদ ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরে তাকে কুমিল্লা সদরে জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তি এই ব্যাগটা দেন। ঢাকায় আসার পরে কেউ একজন তার কাছ থেকে ব্যাগটা নিয়ে নেবেন বলে জাকির হোসেন জানিয়েছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে