নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান ডায়রিয়ার প্রকোপের পেছনে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষত রাজধানীর বস্তিগুলোতে সিটি করপোরেশনের কোনো বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই। বস্তির মানুষ নিজস্ব উদ্যোগে কিছু বর্জ্য সিটি করপোরেশনের বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে (এসটিএস) পৌঁছে দিলেও, অনেক বর্জ্য থেকে যায় বস্তিতে। এতে বস্তির মানুষের মধ্যে রোগ জীবাণু ছড়ায়। পরে পানি ও বায়ুবাহিত রোগ-শোক ছড়িয়ে পড়ে শহর জুড়ে।
বুধবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আঞ্চলিক কার্যালয়-৩ এ কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা সভায় আলোচকেরা এসব কথা তুলে ধরেন। দুস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র (ডিএসকে), কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পুওর (কাপ), বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) এবং ইনসাইটস্ যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে।
সভায় ডিএনসিসির অঞ্চল-৩ এর সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আজিজুন নেছা বলেন, ‘বস্তিতে বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে হবে। না হলে বর্জ্যের কারণে পানি ও বায়ু দূষণ হবে। ময়লার কারণে বাতাসে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং ক্ষতিকারক গ্যাস তৈরি হয়। এতে তৈরি হচ্ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। বর্জ্যের অব্যবস্থাপনার কারণে কড়াইলসহ রাজধানীর বিভিন্ন বস্তি এলাকায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। ওই এলাকার লোকজন ডায়রিয়া, কলেরাসহ নানা রকম পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। পরে এই রোগ গুলশান, বনানী, বারিধারাসহ শহরে ছড়িয়ে পড়ছে।’
কড়াইল বস্তি উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ময়লা সংগ্রহ করি। ভ্যান সংকটের কারণে সব সময় সব ময়লা সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। অনেক সময় ময়লা সংগ্রহ করার পর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে (এসটিএস) দিলেও তাঁরা নিতে চায় না। এতে বস্তির পরিবেশ খারাপ হয়ে যায়। দুর্গন্ধ ও রোগ ছড়ায়।’
বস্তির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিটি করপোরেশনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে কাপের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার রেবেকা সান ইয়াত বলেন, ‘বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে ঢাকাতে সবচেয়ে বেশি দূষণ হয়। বস্তিগুলোতে এ সংকট আরও বেশি। বস্তি এলাকাও এই শহরেরই অংশ। বস্তি ভালো থাকলে পুরো শহর ভালো থাকবে। এ জন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে এগিয়ে আসতে হবে। সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে আসতে হবে।’
ডিএনসিসির সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অঞ্চল-৩ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) আবদুল্লাহ আল বাকি। সভায় সঞ্চালনা করেন কাপের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহবুল হক।

রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান ডায়রিয়ার প্রকোপের পেছনে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষত রাজধানীর বস্তিগুলোতে সিটি করপোরেশনের কোনো বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই। বস্তির মানুষ নিজস্ব উদ্যোগে কিছু বর্জ্য সিটি করপোরেশনের বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে (এসটিএস) পৌঁছে দিলেও, অনেক বর্জ্য থেকে যায় বস্তিতে। এতে বস্তির মানুষের মধ্যে রোগ জীবাণু ছড়ায়। পরে পানি ও বায়ুবাহিত রোগ-শোক ছড়িয়ে পড়ে শহর জুড়ে।
বুধবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আঞ্চলিক কার্যালয়-৩ এ কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা সভায় আলোচকেরা এসব কথা তুলে ধরেন। দুস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র (ডিএসকে), কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পুওর (কাপ), বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) এবং ইনসাইটস্ যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে।
সভায় ডিএনসিসির অঞ্চল-৩ এর সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আজিজুন নেছা বলেন, ‘বস্তিতে বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে হবে। না হলে বর্জ্যের কারণে পানি ও বায়ু দূষণ হবে। ময়লার কারণে বাতাসে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং ক্ষতিকারক গ্যাস তৈরি হয়। এতে তৈরি হচ্ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। বর্জ্যের অব্যবস্থাপনার কারণে কড়াইলসহ রাজধানীর বিভিন্ন বস্তি এলাকায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। ওই এলাকার লোকজন ডায়রিয়া, কলেরাসহ নানা রকম পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। পরে এই রোগ গুলশান, বনানী, বারিধারাসহ শহরে ছড়িয়ে পড়ছে।’
কড়াইল বস্তি উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ময়লা সংগ্রহ করি। ভ্যান সংকটের কারণে সব সময় সব ময়লা সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। অনেক সময় ময়লা সংগ্রহ করার পর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে (এসটিএস) দিলেও তাঁরা নিতে চায় না। এতে বস্তির পরিবেশ খারাপ হয়ে যায়। দুর্গন্ধ ও রোগ ছড়ায়।’
বস্তির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিটি করপোরেশনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে কাপের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার রেবেকা সান ইয়াত বলেন, ‘বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে ঢাকাতে সবচেয়ে বেশি দূষণ হয়। বস্তিগুলোতে এ সংকট আরও বেশি। বস্তি এলাকাও এই শহরেরই অংশ। বস্তি ভালো থাকলে পুরো শহর ভালো থাকবে। এ জন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে এগিয়ে আসতে হবে। সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে আসতে হবে।’
ডিএনসিসির সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অঞ্চল-৩ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) আবদুল্লাহ আল বাকি। সভায় সঞ্চালনা করেন কাপের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহবুল হক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে