নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অন্যদের বিরুদ্ধে করা নাইকো দুর্নীতি মামলায় আরও দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এ তারা সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষীরা হলেন—জব্দতালিকার সাক্ষী আব্দুল বাকী ও চুক্তির সময় খসড়া তালিকার সদস্য এ কে এম আনোয়ার ইসলাম। ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান ফটকে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে শুনানি হয়। দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী ইদ্রিস আলী।
আইনজীবী জানান, সাক্ষীরা জবানবন্দি দেওয়ার পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন। তবে সাক্ষী আব্দুল বাকির জেরা সমাপ্ত না হওয়ায়, বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান পরবর্তী তারিখে ওই সাক্ষীর জেরা করার জন্য দিন ধার্য করেন। পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয় আগামী ১৪ মে।
এর আগে মামলার বাদী, কানাডার পুলিশ লয়েড স্কোয়েপ ও কেভিন ডুগানসহ এই মামলায় মোট পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আজ দুজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করার পর এই মামলায় মোট সাতজন সাক্ষী হলেন।
মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী হাজিরা দাখিল করেন। কারাগারে থাকা আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত বছর ২৩ মে এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন—তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।
এদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী মওদুদ আহমদ, এ কে এম মোশারফ হোসেন ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মৃত্যুবরণ করায় ইতিপূর্বেই তাদের মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অন্যদের বিরুদ্ধে করা নাইকো দুর্নীতি মামলায় আরও দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এ তারা সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষীরা হলেন—জব্দতালিকার সাক্ষী আব্দুল বাকী ও চুক্তির সময় খসড়া তালিকার সদস্য এ কে এম আনোয়ার ইসলাম। ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান ফটকে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে শুনানি হয়। দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী ইদ্রিস আলী।
আইনজীবী জানান, সাক্ষীরা জবানবন্দি দেওয়ার পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন। তবে সাক্ষী আব্দুল বাকির জেরা সমাপ্ত না হওয়ায়, বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান পরবর্তী তারিখে ওই সাক্ষীর জেরা করার জন্য দিন ধার্য করেন। পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয় আগামী ১৪ মে।
এর আগে মামলার বাদী, কানাডার পুলিশ লয়েড স্কোয়েপ ও কেভিন ডুগানসহ এই মামলায় মোট পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আজ দুজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করার পর এই মামলায় মোট সাতজন সাক্ষী হলেন।
মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী হাজিরা দাখিল করেন। কারাগারে থাকা আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত বছর ২৩ মে এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন—তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।
এদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী মওদুদ আহমদ, এ কে এম মোশারফ হোসেন ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মৃত্যুবরণ করায় ইতিপূর্বেই তাদের মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে