নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পথচারীর পকেটে মাদক দিয়ে তাকে মামলার আসামি বানাতে গিয়ে ধরা পড়া পল্লবী থানার এএসআই মাহাবুবুল আলম নিজেই আসামি হয়ে দুই সোর্সসহ এখন রিমান্ডে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সাদী প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মাহবুব আলমের দুই সোর্স হলেন রুবেল ও সোহেল রানা। ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার হোসেন সাত দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ তিনজনকে আদালতে পাঠান। আদালত শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, পল্লবী থানার এসআই মাহবুবুল আলম তাঁর দুই সোর্সসহ একজন পথচারীকে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশের এই এএসআই এভাবেই মানুষকে হয়রানি করেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তার সঙ্গে আরও কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কেউ জড়িত আছেন কিনা তা জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, পথচারীর নাম খলিলুর রহমান। গত মঙ্গলবার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একটি রাস্তায় খলিলুর রহমানের পথ রোধ করে পল্লবী থানার সাদা পোশাকধারী এএসআই মাহবুবুল আলম একজন সোর্সের কাছ থেকে ইয়াবার প্যাকেট নিয়ে খলিলের পকেটে পুরে দেন। তারপর উল্টো তাকেই মারধর করতে করতে একটি অটো রিকশায় তুলে নেন। কিছুক্ষণ পর পুলিশ মাহবুবুল আলম জানান, তারা খলিলুর রহমান নামে একজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে ধরেছেন। যার কাছে ১৩৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।
কিন্তু আশেপাশে থাকা একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ক্যামেরায় ধরা পড়ে ঘটনাটি। সেখানে দেখা যায় পথচারী খলিলুর রহমান নির্দোষ। তাকে হয়রানি করার জন্য ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন এএসআই মাহবুবুল আলম।
এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এএসআই মাহবুবুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে তাকে আটক করে ১৩৫ পিস ইয়াবার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সঙ্গে তার দুই সোর্স কেউ এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের হয়।

পথচারীর পকেটে মাদক দিয়ে তাকে মামলার আসামি বানাতে গিয়ে ধরা পড়া পল্লবী থানার এএসআই মাহাবুবুল আলম নিজেই আসামি হয়ে দুই সোর্সসহ এখন রিমান্ডে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সাদী প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মাহবুব আলমের দুই সোর্স হলেন রুবেল ও সোহেল রানা। ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার হোসেন সাত দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ তিনজনকে আদালতে পাঠান। আদালত শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, পল্লবী থানার এসআই মাহবুবুল আলম তাঁর দুই সোর্সসহ একজন পথচারীকে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশের এই এএসআই এভাবেই মানুষকে হয়রানি করেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তার সঙ্গে আরও কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কেউ জড়িত আছেন কিনা তা জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, পথচারীর নাম খলিলুর রহমান। গত মঙ্গলবার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একটি রাস্তায় খলিলুর রহমানের পথ রোধ করে পল্লবী থানার সাদা পোশাকধারী এএসআই মাহবুবুল আলম একজন সোর্সের কাছ থেকে ইয়াবার প্যাকেট নিয়ে খলিলের পকেটে পুরে দেন। তারপর উল্টো তাকেই মারধর করতে করতে একটি অটো রিকশায় তুলে নেন। কিছুক্ষণ পর পুলিশ মাহবুবুল আলম জানান, তারা খলিলুর রহমান নামে একজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে ধরেছেন। যার কাছে ১৩৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।
কিন্তু আশেপাশে থাকা একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ক্যামেরায় ধরা পড়ে ঘটনাটি। সেখানে দেখা যায় পথচারী খলিলুর রহমান নির্দোষ। তাকে হয়রানি করার জন্য ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন এএসআই মাহবুবুল আলম।
এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এএসআই মাহবুবুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে তাকে আটক করে ১৩৫ পিস ইয়াবার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সঙ্গে তার দুই সোর্স কেউ এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের হয়।

কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
১৮ মিনিট আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
২০ মিনিট আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
২৫ মিনিট আগে