প্রতিনিধি

শিবচর (মাদারীপুর): বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে দুই দিন বন্ধ থাকার পর আজ শুক্রবার ভোর থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় কেটাইপ ফেরি কুঞ্জলতা এবং দশটায় ক্যামেলিয়া বাংলাবাজার ঘাট থেকে শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে সীমিত পরিসরে ফেরি চলাচল শুরু হয়। তবে শুক্রবার সকাল থেকে রোরো, ড্যাম্প, কেটাইপ ও মিডায়ামসহ ১৬টি ফেরি চলাচল করছে বলে বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে।
বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, ভোর থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় নৌরুট দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার হচ্ছে। দুই দিন বন্ধ থাকার কারণে ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের ভিড় রয়েছে।
ঘাট সূত্র আরও জানায়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস উপকূলে আঘাত হানার পূর্বে বুধবার ভোর ৬টা থেকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে বন্ধ রাখা হয় ফেরি চলাচল। বুধবার বাতাস ও ঢেউয়ের ধাক্কায় শিমুলিয়া ফেরিঘাটগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঝোড়ো বাতাস বইতে থাকলে পদ্মানদী উত্তাল হয়ে উঠে। দুর্ঘটনা এড়াতে সারা দিন বন্ধ থাকে নৌ চলাচল। তবে বিকেলের দিকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে রাত আটটার দিকে ফেরিতে যানবাহন লোড করার নির্দেশ দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ। পরে সাড়ে আটটার দিকে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে একটি ফেরি শিমুলিয়ার উদ্দেশে বাংলাবাজার ঘাট ছেড়ে যায়।
বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাতে সীমিত পরিসরে চালু করা হয় ফেরি চলাচল। শুক্রবার সকাল থেকে স্বাভাবিক রয়েছে সকল ফেরি চলাচল। ঘাটে কিছুটা চাপ রয়েছে।
এদিকে বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার লঞ্চঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট লঞ্চ চলাচলের নির্দেশ গতকাল দেওয়া হয়েছে। তবে এই রুটে সব লঞ্চই এক ইঞ্জিনের। নির্দেশনা পেলেই লঞ্চ চলাচল শুরু করবে।

শিবচর (মাদারীপুর): বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে দুই দিন বন্ধ থাকার পর আজ শুক্রবার ভোর থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় কেটাইপ ফেরি কুঞ্জলতা এবং দশটায় ক্যামেলিয়া বাংলাবাজার ঘাট থেকে শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে সীমিত পরিসরে ফেরি চলাচল শুরু হয়। তবে শুক্রবার সকাল থেকে রোরো, ড্যাম্প, কেটাইপ ও মিডায়ামসহ ১৬টি ফেরি চলাচল করছে বলে বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে।
বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, ভোর থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় নৌরুট দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার হচ্ছে। দুই দিন বন্ধ থাকার কারণে ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের ভিড় রয়েছে।
ঘাট সূত্র আরও জানায়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস উপকূলে আঘাত হানার পূর্বে বুধবার ভোর ৬টা থেকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে বন্ধ রাখা হয় ফেরি চলাচল। বুধবার বাতাস ও ঢেউয়ের ধাক্কায় শিমুলিয়া ফেরিঘাটগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঝোড়ো বাতাস বইতে থাকলে পদ্মানদী উত্তাল হয়ে উঠে। দুর্ঘটনা এড়াতে সারা দিন বন্ধ থাকে নৌ চলাচল। তবে বিকেলের দিকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে রাত আটটার দিকে ফেরিতে যানবাহন লোড করার নির্দেশ দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ। পরে সাড়ে আটটার দিকে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে একটি ফেরি শিমুলিয়ার উদ্দেশে বাংলাবাজার ঘাট ছেড়ে যায়।
বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাতে সীমিত পরিসরে চালু করা হয় ফেরি চলাচল। শুক্রবার সকাল থেকে স্বাভাবিক রয়েছে সকল ফেরি চলাচল। ঘাটে কিছুটা চাপ রয়েছে।
এদিকে বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার লঞ্চঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট লঞ্চ চলাচলের নির্দেশ গতকাল দেওয়া হয়েছে। তবে এই রুটে সব লঞ্চই এক ইঞ্জিনের। নির্দেশনা পেলেই লঞ্চ চলাচল শুরু করবে।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৫ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৫ ঘণ্টা আগে