নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০১৮ সালে ঘুষের পাঁচ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এসএম নাজমুল হক। সে মামলায় জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়েছেন। তবে শেষ হয়নি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান। সংস্থাটির অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তাঁর অবৈধ সম্পদের খোঁজ। প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুদকের আরও এক মামলায় হয়েছে নাজমুল হকের বিরুদ্ধে। এই মামলায় তাঁর স্ত্রী সালেহা নাজমুলের নামও রয়েছে।
আজ রোববার দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, নাজমুল হকের স্ত্রী সাহেলা নাজমুল ২০১৯ সালের ১৭ এপ্রিল সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৮০ লাখ ২২ হাজার ২৫৩ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। সম্পদের মধ্যে রয়েছে খুলনার ৩৭/১, রায়পাড়া রোড ২ কাঠা জমিতে তিন তলা বাড়ি, ঢাকা জেলার বাড্ডা থানার বড়ুয়া মৌজায় ৫ কাঠা জমি, সিদ্ধেশ্বরীতে ২য় তলায় ৭০০ বর্গফুটের একটি দোকান, তুরাগ থানার ভাটুলিয়া মৌজায় ৩৩ শতাংশ জমি, উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের উত্তরা প্রকল্পে ফ্ল্যাট ও পূর্বাচলে ১০ কাঠা জমির প্লট। সব মিলিয়ে দুদকের অনুসন্ধানে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৪৬ হাজার ২৫০ টাকার স্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। আর সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে আসামি সাহেলা নাজমুলের নামে ২ কোটি ৫০ লাখ ৬২ হাজার ২৫৩ টাকার অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। যার মধ্যে স্বামীর ৭০ লাখ টাকাও রয়েছে।
অনুসন্ধানকালে সাহেলা নাজমুল ঘোষণাকৃত সম্পদ বাদ দিলে ৪৬ লাখ ২১ হাজার ২৫০ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১ কোটি ৭০ লাখ ৪০ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ গোপন করার তথ্য পাওয়া যায়। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে যার পরিমাণ ২ কোটি ১৬ লাখ ৬১ হাজার ২৫০ টাকা।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, অনুসন্ধানে ২ কোটি ৬৪ লাখ ৭১ হাজার ১৩১ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যা নাজমুল হক ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করে বৈধ করতে স্ত্রীর নামে গড়েছেন। যে কারণে স্ত্রীকে প্রধান আসামি এবং স্বামী নাজমুলকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১০৯ ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় এবং দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২), ২৭ (১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৮ সালে ঘুষের পাঁচ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এসএম নাজমুল হক। সে মামলায় জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়েছেন। তবে শেষ হয়নি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান। সংস্থাটির অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তাঁর অবৈধ সম্পদের খোঁজ। প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুদকের আরও এক মামলায় হয়েছে নাজমুল হকের বিরুদ্ধে। এই মামলায় তাঁর স্ত্রী সালেহা নাজমুলের নামও রয়েছে।
আজ রোববার দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, নাজমুল হকের স্ত্রী সাহেলা নাজমুল ২০১৯ সালের ১৭ এপ্রিল সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৮০ লাখ ২২ হাজার ২৫৩ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। সম্পদের মধ্যে রয়েছে খুলনার ৩৭/১, রায়পাড়া রোড ২ কাঠা জমিতে তিন তলা বাড়ি, ঢাকা জেলার বাড্ডা থানার বড়ুয়া মৌজায় ৫ কাঠা জমি, সিদ্ধেশ্বরীতে ২য় তলায় ৭০০ বর্গফুটের একটি দোকান, তুরাগ থানার ভাটুলিয়া মৌজায় ৩৩ শতাংশ জমি, উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের উত্তরা প্রকল্পে ফ্ল্যাট ও পূর্বাচলে ১০ কাঠা জমির প্লট। সব মিলিয়ে দুদকের অনুসন্ধানে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৪৬ হাজার ২৫০ টাকার স্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। আর সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে আসামি সাহেলা নাজমুলের নামে ২ কোটি ৫০ লাখ ৬২ হাজার ২৫৩ টাকার অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। যার মধ্যে স্বামীর ৭০ লাখ টাকাও রয়েছে।
অনুসন্ধানকালে সাহেলা নাজমুল ঘোষণাকৃত সম্পদ বাদ দিলে ৪৬ লাখ ২১ হাজার ২৫০ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১ কোটি ৭০ লাখ ৪০ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ গোপন করার তথ্য পাওয়া যায়। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে যার পরিমাণ ২ কোটি ১৬ লাখ ৬১ হাজার ২৫০ টাকা।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, অনুসন্ধানে ২ কোটি ৬৪ লাখ ৭১ হাজার ১৩১ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যা নাজমুল হক ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করে বৈধ করতে স্ত্রীর নামে গড়েছেন। যে কারণে স্ত্রীকে প্রধান আসামি এবং স্বামী নাজমুলকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১০৯ ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় এবং দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২), ২৭ (১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে