নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর মিরপুর থেকে ছেলের কল পেয়ে রাজশাহীতে আত্মহত্যার চেষ্টারত এক মাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এর পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এ তথ্য জানান।
পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার জানান, রাজধানীর মিরপুর থেকে এক তরুণ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকায় তাঁর মা আত্মহত্যার চেষ্টা করছেন। বারবার কল দিলেও তাঁর মা আর ফোন ধরছেন না। তাই দ্রুত তাঁর মাকে উদ্ধারের অনুরোধ জানান।
৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল সৌমিত মৈত্র কলটি রিসিভ করেছিলেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে চন্দ্রিমা থানায় বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানান। ৯৯৯ ডিসপাচারের দায়িত্বরত উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদি হাসান থানা-পুলিশ এবং তথ্যদাতার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে উদ্ধারের তথ্য নিতে থাকেন।
চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ বাসায় গিয়ে দরজা ধাক্কাধাক্কি করার পর সেই মা নিজেই দরজা খুলে দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যান। পরে জানা যায়, তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। সৌভাগ্যক্রমে ঝুলন্ত অবস্থায় ওড়না খুলে তিনি নিচে পড়ে যান, ঠিক সেই মুহূর্তে চন্দ্রিমা থানার পুলিশ দল গিয়ে উপস্থিত হয়। পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ দলের নেতৃত্বে থাকা এএসআই লুৎফর রহমান ৯৯৯ কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন। উদ্ধারকৃত আত্মহত্যা চেষ্টারত নারীর আনুমানিক বয়স (৪৭)।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে স্বামী হারানো ওই নারীকে প্রেমঘটিত সম্পর্কের মিথ্যা অপবাদ ও লাঞ্ছনা করা হয়। তাই তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকাল ১১টার দিকে ওই নারীর ছেলে জানান, তাঁর মা এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বিকেলের দিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে। মাকে বাড়িতে নিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি।

রাজধানীর মিরপুর থেকে ছেলের কল পেয়ে রাজশাহীতে আত্মহত্যার চেষ্টারত এক মাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এর পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এ তথ্য জানান।
পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার জানান, রাজধানীর মিরপুর থেকে এক তরুণ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকায় তাঁর মা আত্মহত্যার চেষ্টা করছেন। বারবার কল দিলেও তাঁর মা আর ফোন ধরছেন না। তাই দ্রুত তাঁর মাকে উদ্ধারের অনুরোধ জানান।
৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল সৌমিত মৈত্র কলটি রিসিভ করেছিলেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে চন্দ্রিমা থানায় বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানান। ৯৯৯ ডিসপাচারের দায়িত্বরত উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদি হাসান থানা-পুলিশ এবং তথ্যদাতার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে উদ্ধারের তথ্য নিতে থাকেন।
চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ বাসায় গিয়ে দরজা ধাক্কাধাক্কি করার পর সেই মা নিজেই দরজা খুলে দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যান। পরে জানা যায়, তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। সৌভাগ্যক্রমে ঝুলন্ত অবস্থায় ওড়না খুলে তিনি নিচে পড়ে যান, ঠিক সেই মুহূর্তে চন্দ্রিমা থানার পুলিশ দল গিয়ে উপস্থিত হয়। পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ দলের নেতৃত্বে থাকা এএসআই লুৎফর রহমান ৯৯৯ কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন। উদ্ধারকৃত আত্মহত্যা চেষ্টারত নারীর আনুমানিক বয়স (৪৭)।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে স্বামী হারানো ওই নারীকে প্রেমঘটিত সম্পর্কের মিথ্যা অপবাদ ও লাঞ্ছনা করা হয়। তাই তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকাল ১১টার দিকে ওই নারীর ছেলে জানান, তাঁর মা এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বিকেলের দিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে। মাকে বাড়িতে নিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে