নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বঙ্গবাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দরজি ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিত্তবান ব্যবসায়ীদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন। ঈদের আগে তারা কর্মহারা হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এমন জানিয়েছে বুধবার দুপুরে ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে সহায়তা চেয়েছেন তারা।
মো. নাজিম নামের এক দরজি ব্যবসায়ী বলেন, বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় নাজিম টেইলার্স নামের আমার সেলাইয়ের দোকান ছিল। আগুনে সেটি পুড়ে গেছি ৷ আমার মতো এখানকার সব দরজি ব্যবসায়ী আজ নিঃস্ব ৷ কিন্তু আমাদের কেউ খোঁজ পর্যন্ত নেয়নি। খুচরা ব্যবসায়ীদের আপাতত অস্থায়ীভাবে বসার সুযোগ করে দেওয়া হলেও, আমাদের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
নাজিম আরও বলেন, আমার দরজি ব্যবসায়ীরা আমাদের মহানগর কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির সঙ্গে কথা বলেছি, তারা আমাদের আশ্বাস দিলেও কোনো সহায়তা এখনো আমরা পাইনি। আমাদের পকেটে চলার মতোও অর্থ নেই। আমাদের দিকটা যদি কেউ না দেখে, তাহলে আমরা যাব কোথায়?
আদর্শ মার্কেটের জাকির টেইলার্সের মালিক আব্দুল কাদের অভিযোগ করে বলেন, আমরা কেউ কেউ ২০-৩০ বছর ধরে এখানে সেলাইয়ের কাজ করছি। অগ্নিকাণ্ডের পর কেউ আমাদের সাথে কথা বলছে না, কেউ আমাদের সহায়তা দিচ্ছে না। আমাদের বসার সুযোগও দিচ্ছে না। আমরা যদি এখানে অস্থায়ীভাবে বসতে পারি তাহলে ঈদের আগে পাওনাদারের টাকাটা পাব। নইলে তো সেটাও পাব না।
মো. আব্বাস নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে আমাদের তালিকা নেওয়া হয়েছে ৷ কিন্তু আমাদের তো পকেটে চলার মতো কোনো টাকা নেই। তাই সমাজের বিত্তবানরা যদি এ দুঃসময়ে আমাদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অন্তত খেয়ে পরে বাঁচতে পারব।
আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি এ সময় তারা বঙ্গবাজারের সব দরজি ব্যবসায়ীদের দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানান।

বঙ্গবাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দরজি ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিত্তবান ব্যবসায়ীদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন। ঈদের আগে তারা কর্মহারা হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এমন জানিয়েছে বুধবার দুপুরে ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে সহায়তা চেয়েছেন তারা।
মো. নাজিম নামের এক দরজি ব্যবসায়ী বলেন, বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় নাজিম টেইলার্স নামের আমার সেলাইয়ের দোকান ছিল। আগুনে সেটি পুড়ে গেছি ৷ আমার মতো এখানকার সব দরজি ব্যবসায়ী আজ নিঃস্ব ৷ কিন্তু আমাদের কেউ খোঁজ পর্যন্ত নেয়নি। খুচরা ব্যবসায়ীদের আপাতত অস্থায়ীভাবে বসার সুযোগ করে দেওয়া হলেও, আমাদের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
নাজিম আরও বলেন, আমার দরজি ব্যবসায়ীরা আমাদের মহানগর কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির সঙ্গে কথা বলেছি, তারা আমাদের আশ্বাস দিলেও কোনো সহায়তা এখনো আমরা পাইনি। আমাদের পকেটে চলার মতোও অর্থ নেই। আমাদের দিকটা যদি কেউ না দেখে, তাহলে আমরা যাব কোথায়?
আদর্শ মার্কেটের জাকির টেইলার্সের মালিক আব্দুল কাদের অভিযোগ করে বলেন, আমরা কেউ কেউ ২০-৩০ বছর ধরে এখানে সেলাইয়ের কাজ করছি। অগ্নিকাণ্ডের পর কেউ আমাদের সাথে কথা বলছে না, কেউ আমাদের সহায়তা দিচ্ছে না। আমাদের বসার সুযোগও দিচ্ছে না। আমরা যদি এখানে অস্থায়ীভাবে বসতে পারি তাহলে ঈদের আগে পাওনাদারের টাকাটা পাব। নইলে তো সেটাও পাব না।
মো. আব্বাস নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে আমাদের তালিকা নেওয়া হয়েছে ৷ কিন্তু আমাদের তো পকেটে চলার মতো কোনো টাকা নেই। তাই সমাজের বিত্তবানরা যদি এ দুঃসময়ে আমাদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অন্তত খেয়ে পরে বাঁচতে পারব।
আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি এ সময় তারা বঙ্গবাজারের সব দরজি ব্যবসায়ীদের দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানান।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৩০ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে