নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

টলুইনযুক্ত কালি দিয়ে খাবারের প্যাকেট ছাপানো হলে তা খাদ্য বা পানীয়ের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এটি পণ্যের অর্গানোলেপটিক বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে, যা খাদ্যের মান, নিরাপত্তা, এমনকি আইনি সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে। সারা বিশ্বে প্যাকেজিং অ্যাপ্লিকেশন ও লেবেলের জন্য প্রিন্টিং ইংক ও কোটিং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সেগওয়ার্ক আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়টি তুলে ধরে।
টলুইনের ক্ষতিকর প্রভাব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে প্রতিষ্ঠানটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় টলুইনমুক্ত প্রিন্টিং ইংকের গুরুত্ব সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের গ্রাহকদের উন্নত মানের পণ্য ও সেবার মাধ্যমে পণ্য ও ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেগওয়ার্ক কাজ করছে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিষাক্ততার কারণে টলুইন বিশ্বব্যাপী পরিচিত। নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রভাবের ফলে এটি ভোক্তা, পেশাগত ও পরিবেশগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে। ক্ষতিকর প্রভাবের জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন টলুইনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিএমআর ক্যাটাগরি ২ (সন্দেহ করা হয় যে, এটি অনাগত সন্তানের ক্ষতি করতে পারে) হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেছে। ভারতেও এটি চার বছর ধরে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
জানা গেছে, খাদ্যদ্রব্যে টলুইনযুক্ত কালি ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে পণ্যের মান প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন-বিএসটিআই ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ-বিএফএসএ-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
নিরাপদ প্যাকেজিং ইংকের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সেগওয়ার্ক দীর্ঘ সময় কাজ করে আসছে। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত প্যাকেজিং কালি তাদের কার্যক্রমের একটি প্রধান নীতি। পণ্য নিরাপত্তায় প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়।
সেগওয়ার্ক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট আশীষ প্রধান বলেন, নিরাপদ ও মানসম্মত কালি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেগওয়ার্ক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ফলে পৃথিবীজুড়ে সেগওয়ার্কের কারখানাগুলোতে টলুইনমুক্ত কালি উৎপাদনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে সেগওয়ার্ক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট আশীষ প্রধান, কান্ট্রি হেড বাংলাদেশ অংশুমান মুখার্জি, সেগওয়ার্ক ইন্ডিয়ার হেড-প্রোডাক্ট সেফটি অ্যান্ড রেগুলারিটি যতীন টাক্কার ও সেগওয়ার্ক ইন্ডিয়ার কনসালট্যান্ট-ব্র্যান্ডিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন প্রিয়দর্শিনী ভারদেভু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, সেগওয়ার্ক ষষ্ঠ প্রজন্মের পারিবারিক মালিকানাধীন কোম্পানি। প্যাকেজিং, লেবেল ও কোটিংয়ের জন্য প্রিন্টিং ইংক ও কোটিং উৎপাদনের ক্ষেত্রে ১৮০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ কোম্পানি। বৈশ্বিক উৎপাদনকারী ও পরিষেবা নেটওয়ার্কটি গ্রাহকদের নিয়মিত উন্নত মানের পণ্য ও সেবা প্রদান করে আসছে।

টলুইনযুক্ত কালি দিয়ে খাবারের প্যাকেট ছাপানো হলে তা খাদ্য বা পানীয়ের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এটি পণ্যের অর্গানোলেপটিক বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে, যা খাদ্যের মান, নিরাপত্তা, এমনকি আইনি সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে। সারা বিশ্বে প্যাকেজিং অ্যাপ্লিকেশন ও লেবেলের জন্য প্রিন্টিং ইংক ও কোটিং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সেগওয়ার্ক আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়টি তুলে ধরে।
টলুইনের ক্ষতিকর প্রভাব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে প্রতিষ্ঠানটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় টলুইনমুক্ত প্রিন্টিং ইংকের গুরুত্ব সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের গ্রাহকদের উন্নত মানের পণ্য ও সেবার মাধ্যমে পণ্য ও ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেগওয়ার্ক কাজ করছে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিষাক্ততার কারণে টলুইন বিশ্বব্যাপী পরিচিত। নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রভাবের ফলে এটি ভোক্তা, পেশাগত ও পরিবেশগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে। ক্ষতিকর প্রভাবের জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন টলুইনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিএমআর ক্যাটাগরি ২ (সন্দেহ করা হয় যে, এটি অনাগত সন্তানের ক্ষতি করতে পারে) হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেছে। ভারতেও এটি চার বছর ধরে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
জানা গেছে, খাদ্যদ্রব্যে টলুইনযুক্ত কালি ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে পণ্যের মান প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন-বিএসটিআই ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ-বিএফএসএ-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
নিরাপদ প্যাকেজিং ইংকের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সেগওয়ার্ক দীর্ঘ সময় কাজ করে আসছে। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত প্যাকেজিং কালি তাদের কার্যক্রমের একটি প্রধান নীতি। পণ্য নিরাপত্তায় প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়।
সেগওয়ার্ক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট আশীষ প্রধান বলেন, নিরাপদ ও মানসম্মত কালি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেগওয়ার্ক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ফলে পৃথিবীজুড়ে সেগওয়ার্কের কারখানাগুলোতে টলুইনমুক্ত কালি উৎপাদনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে সেগওয়ার্ক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট আশীষ প্রধান, কান্ট্রি হেড বাংলাদেশ অংশুমান মুখার্জি, সেগওয়ার্ক ইন্ডিয়ার হেড-প্রোডাক্ট সেফটি অ্যান্ড রেগুলারিটি যতীন টাক্কার ও সেগওয়ার্ক ইন্ডিয়ার কনসালট্যান্ট-ব্র্যান্ডিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন প্রিয়দর্শিনী ভারদেভু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, সেগওয়ার্ক ষষ্ঠ প্রজন্মের পারিবারিক মালিকানাধীন কোম্পানি। প্যাকেজিং, লেবেল ও কোটিংয়ের জন্য প্রিন্টিং ইংক ও কোটিং উৎপাদনের ক্ষেত্রে ১৮০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ কোম্পানি। বৈশ্বিক উৎপাদনকারী ও পরিষেবা নেটওয়ার্কটি গ্রাহকদের নিয়মিত উন্নত মানের পণ্য ও সেবা প্রদান করে আসছে।

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
১০ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
২০ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১ ঘণ্টা আগে