জাবি প্রতিনিধি

ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘তারুণ্যের শক্তিই বাংলাদেশের সংবিধানকে বাস্তবে রূপদান করেছে। তরুণ জনতার কারণেই সংবিধান ৫০ বছর পরেও টিকে আছে। আসলে তারুণ্যের শক্তিই সংবিধানের রক্ষাকবচ।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার ও রাজনীতি বিভাগ আয়োজিত ‘আমরা, বাংলাদেশের জনগণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ১৩১ নম্বর গ্যালারিতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘দেশের রাজনীতিতে বড় দলগুলো নিজেদের স্বার্থ নিয়ে চিন্তা করে। তারা জনগণের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখছে না। তবে মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবচেয়ে বড় শক্তি সচেতন নাগরিক। কেউ যাতে সংবিধান লঙ্ঘন না করতে পারে-এ ব্যাপারে দেশের জনগণকে বিশেষ করে তরুণ সমাজকে সচেতন থাকতে হবে।’
ক্ষোভ প্রকাশ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘যদি কোনো সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ না করে তাহলে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারকে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু বড় দলগুলোর কাছে মানুষ এখন অসহায় হয়ে পড়েছে। দলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় মানুষ স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পারছে না।’
সেমিনারে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ বর্তমানে একটি আপ্তবাক্যে পরিণত হয়েছে। এটি এখন শুধু বলার জন্য বলা হয়ে থাকে। সংবিধানের বেশির ভাগ সংশোধনী শাসকগোষ্ঠীর ইচ্ছায় হয়েছে, জনগণের ইচ্ছায় নয়। সব সরকার নিজেদের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করেছে। তাই প্রতিটি সরকার সংবিধান লঙ্ঘনের জন্য দায়ী।’
আলোচনা সভায় সহযোগী অধ্যাপক শাকিল আহমেদের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন—সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক আকবর হোসেন, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সভাপতি তারানা বেগম, অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইন ও সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের সভাপতি অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘তারুণ্যের শক্তিই বাংলাদেশের সংবিধানকে বাস্তবে রূপদান করেছে। তরুণ জনতার কারণেই সংবিধান ৫০ বছর পরেও টিকে আছে। আসলে তারুণ্যের শক্তিই সংবিধানের রক্ষাকবচ।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার ও রাজনীতি বিভাগ আয়োজিত ‘আমরা, বাংলাদেশের জনগণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ১৩১ নম্বর গ্যালারিতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘দেশের রাজনীতিতে বড় দলগুলো নিজেদের স্বার্থ নিয়ে চিন্তা করে। তারা জনগণের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখছে না। তবে মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবচেয়ে বড় শক্তি সচেতন নাগরিক। কেউ যাতে সংবিধান লঙ্ঘন না করতে পারে-এ ব্যাপারে দেশের জনগণকে বিশেষ করে তরুণ সমাজকে সচেতন থাকতে হবে।’
ক্ষোভ প্রকাশ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘যদি কোনো সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ না করে তাহলে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারকে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু বড় দলগুলোর কাছে মানুষ এখন অসহায় হয়ে পড়েছে। দলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় মানুষ স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পারছে না।’
সেমিনারে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ বর্তমানে একটি আপ্তবাক্যে পরিণত হয়েছে। এটি এখন শুধু বলার জন্য বলা হয়ে থাকে। সংবিধানের বেশির ভাগ সংশোধনী শাসকগোষ্ঠীর ইচ্ছায় হয়েছে, জনগণের ইচ্ছায় নয়। সব সরকার নিজেদের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করেছে। তাই প্রতিটি সরকার সংবিধান লঙ্ঘনের জন্য দায়ী।’
আলোচনা সভায় সহযোগী অধ্যাপক শাকিল আহমেদের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন—সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক আকবর হোসেন, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সভাপতি তারানা বেগম, অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইন ও সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের সভাপতি অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে