নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: ফেনসিডিলজাতীয় নতুন মাদক এসকাফ (Eskuf) সিরাপ, বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৮৪ বোতল সিরাপ ও ৫ মণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রথমবারের মতো এই সিরাপজাতীয় মাদক এসকাফ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার রাত ৮টায় রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নাগদারপাড় ব্রিজ এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন মো. জুয়েল, মো. হুমায়ুন, মো. সাদেক ও মো. লিটন।
গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তাঁরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসকাফ ও গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করেন। এসকাফ সিরাপের বোতল ভারত থেকে বিভিন্নভাবে নিয়ে আসা হয়। এসব মাদকদ্রব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর এলাকা থেকে সবজির পিকআপ ভ্যানে করে নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি জানান, এসকাফ সিরাপজাতীয় মাদক। ফেনসিডিলের মতোই কোডাইন ফসফেটসমৃদ্ধ সিরাপ। বোতলে করে ওষুধের মতো নিয়ে আসা হয়।
তিনি আরও বলেন, যেভাবে ফেনসিডিল আসত, সেই একই রাস্তায় এগুলোও আসছে। প্রতি বোতল ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর হচ্ছে পুলিশ—এমন বার্তা জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, 'উচ্চবিত্ত কিংবা নিম্নবিত্ত, এটি আমাদের বিবেচ্য নয়। মাদক বিক্রেতা এবং মাদকসেবী উভয়কেই আমরা গ্রেপ্তার করছি। রাজধানীসহ সারা দেশে আমাদের মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। মাদকের ব্যাপারে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।'
প্রতিনিয়ত নতুন নতুন মাদকের বিস্তার ও প্রসার রোধে পুলিশ কী পদক্ষেপ নিচ্ছে—জানতে চাইলে হারুন বলেন, 'আমরা এখন মাদক গ্রহণ করলে পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রতিদিন আমাদের অভিযান চলছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো থানায় মাদকের জন্য মামলা হচ্ছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।'

ঢাকা: ফেনসিডিলজাতীয় নতুন মাদক এসকাফ (Eskuf) সিরাপ, বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৮৪ বোতল সিরাপ ও ৫ মণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রথমবারের মতো এই সিরাপজাতীয় মাদক এসকাফ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার রাত ৮টায় রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নাগদারপাড় ব্রিজ এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন মো. জুয়েল, মো. হুমায়ুন, মো. সাদেক ও মো. লিটন।
গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তাঁরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসকাফ ও গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করেন। এসকাফ সিরাপের বোতল ভারত থেকে বিভিন্নভাবে নিয়ে আসা হয়। এসব মাদকদ্রব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর এলাকা থেকে সবজির পিকআপ ভ্যানে করে নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি জানান, এসকাফ সিরাপজাতীয় মাদক। ফেনসিডিলের মতোই কোডাইন ফসফেটসমৃদ্ধ সিরাপ। বোতলে করে ওষুধের মতো নিয়ে আসা হয়।
তিনি আরও বলেন, যেভাবে ফেনসিডিল আসত, সেই একই রাস্তায় এগুলোও আসছে। প্রতি বোতল ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর হচ্ছে পুলিশ—এমন বার্তা জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, 'উচ্চবিত্ত কিংবা নিম্নবিত্ত, এটি আমাদের বিবেচ্য নয়। মাদক বিক্রেতা এবং মাদকসেবী উভয়কেই আমরা গ্রেপ্তার করছি। রাজধানীসহ সারা দেশে আমাদের মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। মাদকের ব্যাপারে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।'
প্রতিনিয়ত নতুন নতুন মাদকের বিস্তার ও প্রসার রোধে পুলিশ কী পদক্ষেপ নিচ্ছে—জানতে চাইলে হারুন বলেন, 'আমরা এখন মাদক গ্রহণ করলে পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রতিদিন আমাদের অভিযান চলছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো থানায় মাদকের জন্য মামলা হচ্ছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।'

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে