কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা

দরিদ্র–অসহায় জনগোষ্ঠীর জন্য আরও সহজ ও সাশ্রয়ী উপায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতে দেশব্যাপী গ্রাম আদালতের চূড়ান্ত পর্যায় বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এ মন্তব্য করেছেন।
ইইউ, ইউএনডিপি এবং বাংলাদেশ সরকারের ত্রিপক্ষীয় অংশীদারত্বে এবং আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প ১ হাজার ৮০টি ইউনিয়নের গ্রাম আদালতসমূহ সক্রিয়করণে কাজ করছে। ২য় পর্যায়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮৬৮টি মামলা দাখিল করা হয়েছে, যার ৩০ শতাংশই করেছেন নারীরা। প্রায় ২ লাখ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। যার মাধ্যমে ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৭৩৬ জন উপকৃত হয়েছেন।
তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘সরকার গ্রাম আদালত সক্রিয়করণের মাধ্যমে জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিতে এবং মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে বিচারিক সেবা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। সরকার গ্রাম আদালত আইন–২০০৬ সংশোধন করে এটিকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার জন্য কাজ করছে।’ এ সময় তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউএনডিপিকে তাদের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি বলেন, ‘কোনো আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা ছাড়াই ন্যূনতম খরচে ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গ্রাম আদালত ব্যবস্থা একটি কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ইইউ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের ৩য় পর্যায় সম্প্রসারণের মাধ্যমে সারা দেশে গ্রাম আদালত সেবার কার্যকারিতা নিশ্চিতে আরও আড়াই কোটি ইউরো প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।’
ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি বলেন, ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের বাস্তবায়ন একটি সফলতম বিনিয়োগ যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠী বিশেষ করে নারীদের, সহায়তা করেছে এবং টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভূমিকা পালন করছে। ৩য় পর্যায়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্প্রসারণ দেশব্যাপী পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অভিযোগ শনাক্তকরণের মাধ্যমেই বিচারিক প্রক্রিয়ায় সমাধান সম্ভব হয়।’

দরিদ্র–অসহায় জনগোষ্ঠীর জন্য আরও সহজ ও সাশ্রয়ী উপায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতে দেশব্যাপী গ্রাম আদালতের চূড়ান্ত পর্যায় বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এ মন্তব্য করেছেন।
ইইউ, ইউএনডিপি এবং বাংলাদেশ সরকারের ত্রিপক্ষীয় অংশীদারত্বে এবং আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প ১ হাজার ৮০টি ইউনিয়নের গ্রাম আদালতসমূহ সক্রিয়করণে কাজ করছে। ২য় পর্যায়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮৬৮টি মামলা দাখিল করা হয়েছে, যার ৩০ শতাংশই করেছেন নারীরা। প্রায় ২ লাখ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। যার মাধ্যমে ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৭৩৬ জন উপকৃত হয়েছেন।
তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘সরকার গ্রাম আদালত সক্রিয়করণের মাধ্যমে জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিতে এবং মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে বিচারিক সেবা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। সরকার গ্রাম আদালত আইন–২০০৬ সংশোধন করে এটিকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার জন্য কাজ করছে।’ এ সময় তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউএনডিপিকে তাদের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি বলেন, ‘কোনো আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা ছাড়াই ন্যূনতম খরচে ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গ্রাম আদালত ব্যবস্থা একটি কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ইইউ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের ৩য় পর্যায় সম্প্রসারণের মাধ্যমে সারা দেশে গ্রাম আদালত সেবার কার্যকারিতা নিশ্চিতে আরও আড়াই কোটি ইউরো প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।’
ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি বলেন, ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের বাস্তবায়ন একটি সফলতম বিনিয়োগ যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠী বিশেষ করে নারীদের, সহায়তা করেছে এবং টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভূমিকা পালন করছে। ৩য় পর্যায়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্প্রসারণ দেশব্যাপী পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অভিযোগ শনাক্তকরণের মাধ্যমেই বিচারিক প্রক্রিয়ায় সমাধান সম্ভব হয়।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১১ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১৬ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
২৯ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩৬ মিনিট আগে