উত্তরা (ঢাকা), প্রতিনিধি

উত্তরার তুরাগ নদীর খেয়াঘাটে যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ইজারাদার টুটুল সরকারকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। গতকাল শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল্লাহপুরের আইচি বোটঘাট থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আজ রোববার (২৭ অক্টোবর) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তরার হজ ক্যাম্প আর্মি ক্যাম্পের একজন সেনা কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আইচি বোটঘাট থেকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং অবৈধ ইজারা দখলকারী টুটুল সরকারকে আটক করা হয়েছে।
ওই সেনা কর্মকর্তা বলেন, টুটুল সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে আইচি খেয়াঘাট দখল করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে আসছিল। এ ছাড়া সে নিজ এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছিল। তাঁর বিরুদ্ধে অপহরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
তিনি বলেন, খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া এবং অবৈধ ইজারার বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিকে মারধর করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে টুটুল সরকারকে আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য উত্তরা পূর্ব থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
খেয়াঘাটের মাঝি ও পারাপাররত যাত্রীদের অভিযোগ, পূর্বে আইচি খেয়াঘাটের ইজারা নেওয়া হয়েছিল ১৭ লাখ। আর সেটা টুটুল সরকার নিয়েছে ৩৯ লাখ টাকা। নদী পারারের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ২টা টাকা হলেও আদায় করত ১০ টাকা। আর পূর্বে ৬০ জন মাঝিকে বিতাড়িত করে দেয় টুটুল সরকার। আগে নৌকা প্রতি জিপি (চাঁদা) ছিল ১২০ টাকা, এখন সেটা ২৫০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। যা মাঝি ও যাত্রীদের প্রতি জুলুম হয়ে যাচ্ছে। টুটুল সরকারের এত ক্ষমতার উৎসই ছিল তার চাচা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন।
অপরদিকে ডিএমপির উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিবুল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সেনাবাহিনী টুটুল সরকারকে আমাদের থানায় নিয়ে আসছিল। পরে টঙ্গী পূর্ব থানা-পুলিশ এসে তাকে নিয়ে গেছে।’

উত্তরার তুরাগ নদীর খেয়াঘাটে যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ইজারাদার টুটুল সরকারকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। গতকাল শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল্লাহপুরের আইচি বোটঘাট থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আজ রোববার (২৭ অক্টোবর) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তরার হজ ক্যাম্প আর্মি ক্যাম্পের একজন সেনা কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আইচি বোটঘাট থেকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং অবৈধ ইজারা দখলকারী টুটুল সরকারকে আটক করা হয়েছে।
ওই সেনা কর্মকর্তা বলেন, টুটুল সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে আইচি খেয়াঘাট দখল করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে আসছিল। এ ছাড়া সে নিজ এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছিল। তাঁর বিরুদ্ধে অপহরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
তিনি বলেন, খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া এবং অবৈধ ইজারার বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিকে মারধর করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে টুটুল সরকারকে আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য উত্তরা পূর্ব থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
খেয়াঘাটের মাঝি ও পারাপাররত যাত্রীদের অভিযোগ, পূর্বে আইচি খেয়াঘাটের ইজারা নেওয়া হয়েছিল ১৭ লাখ। আর সেটা টুটুল সরকার নিয়েছে ৩৯ লাখ টাকা। নদী পারারের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ২টা টাকা হলেও আদায় করত ১০ টাকা। আর পূর্বে ৬০ জন মাঝিকে বিতাড়িত করে দেয় টুটুল সরকার। আগে নৌকা প্রতি জিপি (চাঁদা) ছিল ১২০ টাকা, এখন সেটা ২৫০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। যা মাঝি ও যাত্রীদের প্রতি জুলুম হয়ে যাচ্ছে। টুটুল সরকারের এত ক্ষমতার উৎসই ছিল তার চাচা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন।
অপরদিকে ডিএমপির উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিবুল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সেনাবাহিনী টুটুল সরকারকে আমাদের থানায় নিয়ে আসছিল। পরে টঙ্গী পূর্ব থানা-পুলিশ এসে তাকে নিয়ে গেছে।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে