নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চাঞ্চল্যকর হালিম খান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মবজেলকে (৩৩) ঢাকা জেলার ধামরাই থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ছদ্মবেশে থাকা মবজেলকে গত বৃহস্পতিবার ধামরাই থানার ইসলামপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৪ এর অধিনায়ক পুলিশের ডিআইজি মোজাম্মেল হক।
মোজাম্মেল হক জানান, হালিম হত্যা মামলার আসামি মবজেলসহ তিন আসামি স্থানীয় বখাটে হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হত্যার শিকার হালিম খান (৩০) মানিকগঞ্জ সদর ও হরিরামপুর এলাকায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। ঘটনার ৭-৮ দিন আগে মবজেলসহ অন্য আসামিদের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ভাড়া নিয়ে হালিমের কথাকাটাকাটি ও মারামারি হয়। এতে হালিমের ওপর মবজেলসহ অন্যরা ক্ষিপ্ত ছিলেন। এরই জেরে হালিমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তাঁরা। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৪ সালের ১৪ মার্চ মবজেল ও ছমির মানিকগঞ্জ সদরের বলড়া এলাকা থেকে হরিরামপুর উপজেলায় ওয়াজ-মাহফিলে যাওয়ার কথা বলে হালিমের মোটরসাইকেল ভাড়া করে। মাহফিল শেষে বাড়ি ফিরবে বলে তারা হালিমকে অপেক্ষা করতে বলেন।
গভীর রাতে মবজেল ও ছমির হালিমের মোটরসাইকেলে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। হরিরামপুর সদর থানা থেকে কিছু দূর আসার পথে আগে থেকে অপেক্ষারত হত্যা মামলার আসামিরা পথ রোধ করে হালিমের গাড়ি থামায়। এর পর হালিমের মুখ চেপে পদ্মা নদীর চরে নিয়ে যায় এবং হালিমের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হালিমের হত্যা নিশ্চিতের জন্য তারা হালিমের হাত ও পায়ের রগ কেটে ফেলে। এর পর মরদেহ সেখানেই ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে রেখে হালিমের মোটরসাইকেল নিয়েই পালিয়ে যায় তারা।
ঘটনার দিন রাতে হালিম বাড়ি না ফিরলে তাঁর পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। অনেক খুঁজেও পেয়ে পরদিন ১৫ মার্চ হালিমের স্ত্রী ফরিদা হরিরামপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। হরিরামপুর থানা-পুলিশ ১৮ মার্চ ছমিরকে হালিমের মোটরসাইকেলসহ আটক করে এবং ছমিরের স্বীকারোক্তি মোতাবেক হরিরামপুর থানার অদূরে পদ্মা নদীর চরে ঝোপের মধ্য থেকে হালিমের মরদেহ উদ্ধার করে। হরিরামপুর থানা-পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ছমির ঘটনার সঙ্গে মবজেল জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এ ঘটনায় হালিমের স্ত্রী ফরিদা বাদী হয়ে মবজেল ও তিনজন আসামির বিরুদ্ধে হরিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ সেই মামলা তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত হালিমকে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অপরাধে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মবজেলকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। এ ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে পলাতক ছিলেন মবজেল।
মোজাম্মেল হক বলেন, গ্রেপ্তার আসামি মবজেল দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট। তাঁর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে ধামরাই এলাকায় বসবাস করতেন। ২০১৪ সালের পর থেকে তিনি আর কোনো দিন মানিকগঞ্জ যাননি। গত ৮ বছর আসামি মবজেল ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া, ধামরাইসহ বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। এই সময়ে তিনি নিজের পরিচয় গোপনের জন্য ক্রমাগত পেশা পরিবর্তন করেছেন।
প্রথমদিকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন। গত কিছুদিন ধরে ধামরাই থানার ইসলামপুরের একটি গার্মেন্টসে পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চাঞ্চল্যকর হালিম খান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মবজেলকে (৩৩) ঢাকা জেলার ধামরাই থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ছদ্মবেশে থাকা মবজেলকে গত বৃহস্পতিবার ধামরাই থানার ইসলামপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৪ এর অধিনায়ক পুলিশের ডিআইজি মোজাম্মেল হক।
মোজাম্মেল হক জানান, হালিম হত্যা মামলার আসামি মবজেলসহ তিন আসামি স্থানীয় বখাটে হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হত্যার শিকার হালিম খান (৩০) মানিকগঞ্জ সদর ও হরিরামপুর এলাকায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। ঘটনার ৭-৮ দিন আগে মবজেলসহ অন্য আসামিদের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ভাড়া নিয়ে হালিমের কথাকাটাকাটি ও মারামারি হয়। এতে হালিমের ওপর মবজেলসহ অন্যরা ক্ষিপ্ত ছিলেন। এরই জেরে হালিমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তাঁরা। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৪ সালের ১৪ মার্চ মবজেল ও ছমির মানিকগঞ্জ সদরের বলড়া এলাকা থেকে হরিরামপুর উপজেলায় ওয়াজ-মাহফিলে যাওয়ার কথা বলে হালিমের মোটরসাইকেল ভাড়া করে। মাহফিল শেষে বাড়ি ফিরবে বলে তারা হালিমকে অপেক্ষা করতে বলেন।
গভীর রাতে মবজেল ও ছমির হালিমের মোটরসাইকেলে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। হরিরামপুর সদর থানা থেকে কিছু দূর আসার পথে আগে থেকে অপেক্ষারত হত্যা মামলার আসামিরা পথ রোধ করে হালিমের গাড়ি থামায়। এর পর হালিমের মুখ চেপে পদ্মা নদীর চরে নিয়ে যায় এবং হালিমের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হালিমের হত্যা নিশ্চিতের জন্য তারা হালিমের হাত ও পায়ের রগ কেটে ফেলে। এর পর মরদেহ সেখানেই ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে রেখে হালিমের মোটরসাইকেল নিয়েই পালিয়ে যায় তারা।
ঘটনার দিন রাতে হালিম বাড়ি না ফিরলে তাঁর পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। অনেক খুঁজেও পেয়ে পরদিন ১৫ মার্চ হালিমের স্ত্রী ফরিদা হরিরামপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। হরিরামপুর থানা-পুলিশ ১৮ মার্চ ছমিরকে হালিমের মোটরসাইকেলসহ আটক করে এবং ছমিরের স্বীকারোক্তি মোতাবেক হরিরামপুর থানার অদূরে পদ্মা নদীর চরে ঝোপের মধ্য থেকে হালিমের মরদেহ উদ্ধার করে। হরিরামপুর থানা-পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ছমির ঘটনার সঙ্গে মবজেল জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এ ঘটনায় হালিমের স্ত্রী ফরিদা বাদী হয়ে মবজেল ও তিনজন আসামির বিরুদ্ধে হরিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ সেই মামলা তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত হালিমকে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অপরাধে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মবজেলকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। এ ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে পলাতক ছিলেন মবজেল।
মোজাম্মেল হক বলেন, গ্রেপ্তার আসামি মবজেল দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট। তাঁর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে ধামরাই এলাকায় বসবাস করতেন। ২০১৪ সালের পর থেকে তিনি আর কোনো দিন মানিকগঞ্জ যাননি। গত ৮ বছর আসামি মবজেল ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া, ধামরাইসহ বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। এই সময়ে তিনি নিজের পরিচয় গোপনের জন্য ক্রমাগত পেশা পরিবর্তন করেছেন।
প্রথমদিকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন। গত কিছুদিন ধরে ধামরাই থানার ইসলামপুরের একটি গার্মেন্টসে পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।

ময়মনসিংহ নগরীতে ল্যাম্পপোস্ট চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন নগরীর মাদ্রাসা কোয়ার্টার এলাকার সেলিম মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া (২৭); অপরজনের নাম রাকিব মিয়া, তবে তাঁর বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
১৪ মিনিট আগে
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের দুই মেয়ে সাদিয়া মালেক ও সিনথিয়া মালেকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দেন।
৩১ মিনিট আগে
কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে ডাকা সমাবেশে বক্তৃতার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন দলের জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আজ সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
৪১ মিনিট আগে
ফরিদপুরে এক রাতে দুই স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গতকাল রোববার দিবাগত রাতে সদর উপজেলায় মহাসড়কের পাশের একটি পেট্রলপাম্পে ঢোকে ১১ সদস্যের ডাকাত দল। মাত্র ৫ মিনিটে কর্মচারীদের বেঁধে রেখে প্রায় ২ লাখ টাকা ও মালপত্র লুট করে নিয়ে যায় বলে কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে। অন্যদিকে একই রাতে বোয়ালমারী উপজেলার
৪২ মিনিট আগে