নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলায় উচ্ছেদ হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ফ্ল্যাট বিক্রি বন্ধ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। আজ শনিবার দুপুরে রাজউকের অথরাইজড অফিসার আবদুল্লাহ আল-মামুনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ভবনটির নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে সব বিজ্ঞাপন অপসারণ করে ফ্ল্যাট ও দোকান বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রাজউকের প্রধান নগর-পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উচ্ছেদ হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আর ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপনও অপসারণ করা হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে, আজ শনিবার আজকের পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘উচ্ছেদ হওয়া ভবনের ফ্ল্যাট বিক্রির ধুম’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রামচন্দ্রপুর খালের ওপর গড়ে তোলা অবৈধ ১০ তলা ভবনটিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ১৭ মার্চ ডিএনসিসি থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রামচন্দ্রপুর খালের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের বেশির ভাগ অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভাঙা অংশ সরিয়ে নিতে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রয় করা হয়েছে। বর্তমানে কোনোমতে দাঁড়িয়ে আছে ১০ তলা কঙ্কালসার ভবন। বেশির ভাগ অংশ ভেঙে ফেলায় বর্গাকার ভবনটি এখন ত্রিভুজ আকৃতির হয়ে গেছে। নড়বড়ে হয়ে গেছে ভিত। যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।
ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ বলেন, ‘ম্যাপ অনুযায়ী নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের প্রায় ৮০ শতাংশ রামচন্দ্রপুর খালের সীমানায় পড়েছে। তাই বেশির ভাগ অংশই ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বাকি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।’
এদিকে বিজ্ঞাপনের ব্যানারে দেওয়া মোবাইল নম্বরে কল দিলে কথা হয় মালিকপক্ষের প্রতিনিধি তপু রায়হানের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদের পর ভবনের একটা অংশ ভেঙেছে। বাকি ভবন আমরা নতুন করে তৈরি করছি। রাজউক ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ করেছে, এটা আমার জানা নেই। তবে আমাদের ফ্ল্যাট বিক্রি চলমান।’

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলায় উচ্ছেদ হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ফ্ল্যাট বিক্রি বন্ধ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। আজ শনিবার দুপুরে রাজউকের অথরাইজড অফিসার আবদুল্লাহ আল-মামুনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ভবনটির নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে সব বিজ্ঞাপন অপসারণ করে ফ্ল্যাট ও দোকান বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রাজউকের প্রধান নগর-পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উচ্ছেদ হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আর ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপনও অপসারণ করা হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে, আজ শনিবার আজকের পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘উচ্ছেদ হওয়া ভবনের ফ্ল্যাট বিক্রির ধুম’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রামচন্দ্রপুর খালের ওপর গড়ে তোলা অবৈধ ১০ তলা ভবনটিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ১৭ মার্চ ডিএনসিসি থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রামচন্দ্রপুর খালের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের বেশির ভাগ অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভাঙা অংশ সরিয়ে নিতে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রয় করা হয়েছে। বর্তমানে কোনোমতে দাঁড়িয়ে আছে ১০ তলা কঙ্কালসার ভবন। বেশির ভাগ অংশ ভেঙে ফেলায় বর্গাকার ভবনটি এখন ত্রিভুজ আকৃতির হয়ে গেছে। নড়বড়ে হয়ে গেছে ভিত। যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।
ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ বলেন, ‘ম্যাপ অনুযায়ী নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের প্রায় ৮০ শতাংশ রামচন্দ্রপুর খালের সীমানায় পড়েছে। তাই বেশির ভাগ অংশই ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বাকি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।’
এদিকে বিজ্ঞাপনের ব্যানারে দেওয়া মোবাইল নম্বরে কল দিলে কথা হয় মালিকপক্ষের প্রতিনিধি তপু রায়হানের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদের পর ভবনের একটা অংশ ভেঙেছে। বাকি ভবন আমরা নতুন করে তৈরি করছি। রাজউক ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ করেছে, এটা আমার জানা নেই। তবে আমাদের ফ্ল্যাট বিক্রি চলমান।’

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ মিনিট আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১১ মিনিট আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১৩ মিনিট আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১৭ মিনিট আগে