
রাষ্ট্রীয় শোক এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীতে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়িয়ে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্যাপন করেছে নগরবাসী। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৬-এর প্রথম প্রহরে নগরজুড়ে বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় চারপাশে বিকট শব্দ শোনা যায়।
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস ওড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও তা অনেক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হয়েছে; বিশেষ করে রাজধানীর পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এসব বিধিনিষেধ ভাঙতে দেখা যায়।
নগর ঘুরে দেখা যায়, নতুন বছর ২০২৬ শুরু হতে তখনো ঘড়ির কাঁটায় কিছু সময় বাকি। রাত ১২টা বাজার আগেই পৌষের রাতের নীরবতা ভেঙে উৎসবের শব্দে মুখর হয়ে ওঠে নগরী। আতশবাজির আলোয় ঢাকার নিকষ আকাশ ঝলমলে হয়ে ওঠে। বিকট শব্দের সঙ্গে চারদিকে আতশ ছিটকে পড়ে, আর অনেক ফানুস দম ফুরিয়ে গাছের ডালে আর বাসার ছাদে আছড়ে পড়ে।
নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গিয়ে এবারও শব্দ ও বায়ুদূষণের বিষয়টি উপেক্ষিত হয়েছে। আতশবাজির বিকট শব্দে দুর্ভোগে পড়েছে হাসপাতালের মুমূর্ষু রোগী, বাসাবাড়িতে থাকা বয়োবৃদ্ধ ও শিশুরা। শব্দদূষণ থেকে রক্ষা পেতে অনেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে অভিযোগ জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গতকাল বুধবার থেকে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশ কয়েকটি নির্দেশনা জারি করে।
ডিএমপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র্যালি কিংবা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না।
এ ছাড়া উচ্চ শব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো কিংবা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো জয় পেল জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী ৯১ হাজার ১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।
১১ মিনিট আগে
বাগেরহাটের চারটি আসনেই গণভোটে নিরঙ্কুশভাবে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়েছে। আসনগুলোতে ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৯টি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে। এর বিপরীতে ‘না’ ভোট বেছে নিয়েছেন ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৫৭ জন।
১৭ মিনিট আগে
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আট প্রার্থী। এর মধ্যে পাঁচজনই তাঁদের জামানতের টাকা হারিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান সরকার।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জাতীয় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি জয়ী হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
১ ঘণ্টা আগে