নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হলগুলোর ক্যানটিনে পর্যাপ্ত ভর্তুকি দিয়ে খাবারের দাম কমানো ও মান বাড়ানো, ভর্তির আবেদন ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আজ সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল করে সংগঠনগুলো।
সমাবেশ থেকে প্রশাসনিক উদ্যোগে প্রত্যেক হলে ডাইনিং সিস্টেম চালু এবং খাবারের দাম ও মান নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং সেল গঠনের দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ঢাবি সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক ফাহিম শিহাব রেওয়াজ বলেন, শিক্ষাসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার রাষ্ট্রের নিশ্চিত করার কথা ছিল। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও শিক্ষাব্যয় বহন করতে না পেরে কুয়েটে ছাত্র আত্মহত্যা করছে; ২০০ টাকার জন্য শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করছে। এগুলো কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের কাছে ১ হাজার টাকা কিছু না হলেও গরিব মানুষের কাছে অনেক কিছু উল্লেখ করে তিনি বলেন, রিকশাচালক, কৃষকদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করতে শুধু ফর্মের দামই ১ হাজার টাকা হলে তাঁরা কোথায় যাবেন?
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জেসান অর্ক মারান্ডি বলেন, করোনার পর যখন বিশ্ববিদ্যালয় খুলল, তখন একদফা দাম বাড়ানো হয়েছিল। এখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আর রমজানের কথা বলে আবারও দাম বাড়ানো হলো। প্রতিটি হলে খাবারের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বেড়েছে। তিনি বলেন, দাম বাড়ানো হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু খাবারের মান বাড়ছে না। প্রশাসন এই বিষয়ে একেবারেই নির্বিকার।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঢাবি শাখার সভাপতি রাজিব কান্তি রায় বলেন, ক্যানটিনে খাবারের দাম বৃদ্ধি ও ভর্তির আবেদন ফি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। শাসকশ্রেণি যে দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিচালিত করছে, তার অবিচ্ছেদ্য অংশ এসব শিক্ষা স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত। শিক্ষায় ক্রমাগত রাষ্ট্রীয় বরাদ্দের সংকোচন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে এমন সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় চরিত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দফায় দফায় ক্যানটিনের খাবারের দাম বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীদের খাবারের জন্য যে সুসংগঠিত ও সুলভ আয়োজনের প্রয়োজন ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার নীতিতে তা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা হচ্ছে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়ন ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আদনান আজিজ চৌধুরী, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী ঢাবি শাখার সদস্য জাবির আহমেদ জুবেল, ছাত্র ফেডারেশন ঢাবি শাখার অর্থ সম্পাদক আরমানুল হক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত সাদসহ প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হলগুলোর ক্যানটিনে পর্যাপ্ত ভর্তুকি দিয়ে খাবারের দাম কমানো ও মান বাড়ানো, ভর্তির আবেদন ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আজ সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল করে সংগঠনগুলো।
সমাবেশ থেকে প্রশাসনিক উদ্যোগে প্রত্যেক হলে ডাইনিং সিস্টেম চালু এবং খাবারের দাম ও মান নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং সেল গঠনের দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ঢাবি সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক ফাহিম শিহাব রেওয়াজ বলেন, শিক্ষাসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার রাষ্ট্রের নিশ্চিত করার কথা ছিল। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও শিক্ষাব্যয় বহন করতে না পেরে কুয়েটে ছাত্র আত্মহত্যা করছে; ২০০ টাকার জন্য শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করছে। এগুলো কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের কাছে ১ হাজার টাকা কিছু না হলেও গরিব মানুষের কাছে অনেক কিছু উল্লেখ করে তিনি বলেন, রিকশাচালক, কৃষকদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করতে শুধু ফর্মের দামই ১ হাজার টাকা হলে তাঁরা কোথায় যাবেন?
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জেসান অর্ক মারান্ডি বলেন, করোনার পর যখন বিশ্ববিদ্যালয় খুলল, তখন একদফা দাম বাড়ানো হয়েছিল। এখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আর রমজানের কথা বলে আবারও দাম বাড়ানো হলো। প্রতিটি হলে খাবারের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বেড়েছে। তিনি বলেন, দাম বাড়ানো হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু খাবারের মান বাড়ছে না। প্রশাসন এই বিষয়ে একেবারেই নির্বিকার।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঢাবি শাখার সভাপতি রাজিব কান্তি রায় বলেন, ক্যানটিনে খাবারের দাম বৃদ্ধি ও ভর্তির আবেদন ফি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। শাসকশ্রেণি যে দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিচালিত করছে, তার অবিচ্ছেদ্য অংশ এসব শিক্ষা স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত। শিক্ষায় ক্রমাগত রাষ্ট্রীয় বরাদ্দের সংকোচন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে এমন সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় চরিত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দফায় দফায় ক্যানটিনের খাবারের দাম বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীদের খাবারের জন্য যে সুসংগঠিত ও সুলভ আয়োজনের প্রয়োজন ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার নীতিতে তা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা হচ্ছে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়ন ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আদনান আজিজ চৌধুরী, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী ঢাবি শাখার সদস্য জাবির আহমেদ জুবেল, ছাত্র ফেডারেশন ঢাবি শাখার অর্থ সম্পাদক আরমানুল হক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত সাদসহ প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে