Ajker Patrika

হাদি হত্যার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৮ বার পেছাল

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ৪১
হাদি হত্যার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৮ বার পেছাল
শরিফ ওসমান বিন হাদি। ফাইল ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবার পিছিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার নতুন তারিখ হিসেবে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ধার্য করেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম। এ নিয়ে সিআইডি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৮ বার সময় পেল।

রাজধানীর পল্টন থানায় করা এই মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল আজ। কিন্তু তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল করেনি।

আদালতের পল্টন থানার সাধারণ নিবন্ধন কার্যালয়ের এএসআই মামুন হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। ওই দিন আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। নারাজি দিয়ে অধিকতর তদন্তের দাবি করেন বাদী।

নারাজি আবেদনে মামলার বাদী দাবি করেন, হাদী হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী শনাক্ত হয়নি। এমনকি মূল রহস্যও উদ্‌ঘাটিত হয়নি।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে বর্তমানে ১১ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। প্রধান আসামি ফয়সালসহ ছয়জন পলাতক রয়েছেন। অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর সিআইডি নতুন করে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে রুবেল নামের একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হাদিকে হত্যার অস্ত্র সরবরাহের জন্য চট্টগ্রামের অস্ত্র ব্যবসায়ী মাজেদুল হক হেলালকেও গ্রেপ্তার করা হয়। হেলালও আদালতে জবানবন্দি দিয়ে অস্ত্র সরবরাহের কথা স্বীকার করেছেন। এই মামলায় মোট ১৩ জন কারাগারে আছেন।

গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ পড়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে বেলা ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানা এলাকার বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গত ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলা করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত