নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি নথি ‘চুরির চেষ্টার’ অভিযোগে ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস’—আইনে করা মামলায় তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ নভেম্বর। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এস আই নিজামুদ্দিন ফকির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এই মামলাটি তদন্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে রোজিনা ইসলামকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করায় ওই অব্যাহতির আবেদন শুনানি হবে ১৫ নভেম্বর।’
মামলার নথি থেকে দেখা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোর্শেদ আলম খান গত ৪ জুলাই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম কর্তৃক নথি চুরির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ কারণে ইসলামকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হলো।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৭ মে দুপুরের পর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঞার কক্ষে রোজিনা ইসলামকে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাঁকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের একজন উপসচিব তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় চুরি এবং ১৯২৩ সালের ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের’ ৩ ও ৫ ধারায় গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রোজিনা যেসব নথির ‘ছবি তুলেছেন’ তার মধ্যে ‘টিকা আমদানি’ সংক্রান্ত কাগজপত্রও ছিল।

প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি নথি ‘চুরির চেষ্টার’ অভিযোগে ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস’—আইনে করা মামলায় তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ নভেম্বর। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এস আই নিজামুদ্দিন ফকির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এই মামলাটি তদন্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে রোজিনা ইসলামকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করায় ওই অব্যাহতির আবেদন শুনানি হবে ১৫ নভেম্বর।’
মামলার নথি থেকে দেখা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোর্শেদ আলম খান গত ৪ জুলাই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম কর্তৃক নথি চুরির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ কারণে ইসলামকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হলো।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৭ মে দুপুরের পর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঞার কক্ষে রোজিনা ইসলামকে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাঁকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের একজন উপসচিব তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় চুরি এবং ১৯২৩ সালের ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের’ ৩ ও ৫ ধারায় গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রোজিনা যেসব নথির ‘ছবি তুলেছেন’ তার মধ্যে ‘টিকা আমদানি’ সংক্রান্ত কাগজপত্রও ছিল।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২২ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে