নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্দোলন–সংগ্রামের মাধ্যমেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা আদায় করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নাজমা আক্তার বলেন, গত পাঁচ বছরে নিত্যপণ্যের পাশাপাশি বাড়িভাড়া, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা, শিক্ষা সবকিছুর খরচ আকাশচুম্বী হারে বেড়েছে। যার ফলে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান এখন একেবারেই নিম্নমুখী। সিপিডির গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার কেন্দ্রস্থলে বসবাসরত এক ব্যক্তির মাসিক খাবার খরচ ৫ হাজার ৩৩৯ টাকা। চারজনের একটি পরিবারের ক্ষেত্রে এই খরচ ২১ হাজার ৩৫৮ টাকা। আর অন্যান্য খরচ তো আছেই।
মূল্যস্ফীতির প্রসঙ্গ টেনে নাজমা আক্তার আরও বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে শ্রমিকদের প্রকৃত মজুরি কমে যাচ্ছে। নিম্নতম মজুরি কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিবছর মূল মজুরির ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করেন মালিকেরা। অথচ বৈদেশিক মুদ্রার মান টাকায় বেড়ে যাওয়ায় গত পাঁচ মাস ধরে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশের আশপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করার জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা জানি, আন্দোলন–সংগ্রাম ছাড়া আমাদের এ দাবি আদায় হবে না। তাই দাবি আদায়ে আন্দোলন-সংগ্রাম চলবে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খাদিজা আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঊর্মি আক্তারসহ শ্রমিকনেতারা।

আন্দোলন–সংগ্রামের মাধ্যমেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা আদায় করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নাজমা আক্তার বলেন, গত পাঁচ বছরে নিত্যপণ্যের পাশাপাশি বাড়িভাড়া, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা, শিক্ষা সবকিছুর খরচ আকাশচুম্বী হারে বেড়েছে। যার ফলে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান এখন একেবারেই নিম্নমুখী। সিপিডির গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার কেন্দ্রস্থলে বসবাসরত এক ব্যক্তির মাসিক খাবার খরচ ৫ হাজার ৩৩৯ টাকা। চারজনের একটি পরিবারের ক্ষেত্রে এই খরচ ২১ হাজার ৩৫৮ টাকা। আর অন্যান্য খরচ তো আছেই।
মূল্যস্ফীতির প্রসঙ্গ টেনে নাজমা আক্তার আরও বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে শ্রমিকদের প্রকৃত মজুরি কমে যাচ্ছে। নিম্নতম মজুরি কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিবছর মূল মজুরির ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করেন মালিকেরা। অথচ বৈদেশিক মুদ্রার মান টাকায় বেড়ে যাওয়ায় গত পাঁচ মাস ধরে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশের আশপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করার জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা জানি, আন্দোলন–সংগ্রাম ছাড়া আমাদের এ দাবি আদায় হবে না। তাই দাবি আদায়ে আন্দোলন-সংগ্রাম চলবে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খাদিজা আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঊর্মি আক্তারসহ শ্রমিকনেতারা।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে